ঈশানের ঝোড়ো সেঞ্চুরি, অর্শদীপের ফাইফার! ভারতের ছক্কার বিশ্বরেকর্ডে কিউয়িরা বিধ্বস্ত
ঈশান কিষান। কেন তাঁকে টি২০ বিশ্বকাপ দলে নেওয়া হয়েছে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেই বুঝিয়ে দিলেন। ঝড় তুললেন। তাতেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৭১ রানের বিশাল ইনিংস তৈরি করে ভারত। নিউজিল্যান্ড স্বাভাবিকভাবেই শেষ ম্যাচেও পেরে উঠল না। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২২৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ৪৬ রানে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। তাতে ৫ ম্যাচের টি২০ সিরিজে ৪-১ জয়লাভ করল টিম ইন্ডিয়া। বিশ্বকাপের আগে যা অক্সিজেন এনে দেবে ভারতীয় শিবিরে।

শেষ টি২০ ম্যাচ ছিল ভারতের কাছে নিয়মরক্ষারই। বলা যেতে পারে টি২০ বিশ্বকাপের মহড়া। সেই ম্যাচেই নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলল ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি২০ সিরিজে ভারতের মোট ছক্কা ৬৯টি, যা একটা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কোনো দলের বিশ্বরেকর্ড। ভেঙেছে ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের (৬৪) আগের রেকর্ড। আর ভারত ম্যাচে মোট ২৩ ছক্কা মেরেছে, টি২০তে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে ভারতের বিপক্ষেই দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩ ছক্কা হাঁকায়।

টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম ইন্ডিয়া। এদিন শুরুটা করেন অভিষেক শর্মা। ২ ছক্কা ও ৪ চারে ১৬ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন। যদিও আর এক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন এদিনও ব্যর্থ। ৬ বলে ৬ করে ফিরে যান।

ঈশান নামলে শুরু থেকে ঝড় তোলেন। ৪৩ বলে ৬ চার ও ১০ ছয়ে ১০৩ রান করেছেন তিনি। সূর্যকুমার ৩০ বলে চারটি চার ও ছয়টি ছয়ে ৬৩ রান করেন। কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৩৭ রানের জুটি গড়েন তারা ১০ ওভারের একটু বেশি খেলে। পরে হার্দিক নেমে আরও ৪টি ছক্কা হাঁকান। ১৭ বলে করেন ৪২ রান। শিবম দুবে ২ বল খেলে ১ ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত থাকেন ৭ রানে। সঙ্গী রিঙ্কু অপরাজিত ছিলেন ৮ বলে ৮ রান করে। জবাবে ব্য়াট করতে নেমে শুরু থেকে ঝোড়ো ব্যাটিং করলেও নিউজিল্যান্ডের সাধ্য হয়নি জয়ের লড়াইয়ের। কিউয়ি ওপেনার ফিন অ্যালেন ৩৮ বলে ৮০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া রাচিন রবীন্দ্র করেন ১৭ বলে ৩০, ইশ সোধি করেন ১৫ বলে ৩৩ রান এবং ডারেল মিচেল ১২ বলে ২৬ করেন।ভারতের হয়ে অর্শদীপ ৫ উইকেট নেন। এছাড়াও ৩টি উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল। ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে অল আউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।

