মহসিন নকভি বর্তমান ক্রিকেটারদের ধমকাচ্ছেন, প্রাক্তন পাক ক্রিকেটাররা নকভিকেই ধমকাচ্ছেন
ভারতের কাছে লজ্জার হার। সলমন আগাদের ধমক দিতে ছাড়েননি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তিনি শুধু ধমক দিচ্ছেন এমন নয়, ব্যাপক ধমক খাচ্ছেনও। শোয়েব আখতার এবার ধুয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভিকে। এক সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘যে লোক (মহসিন নকভি) ক্রিকেট সম্পর্কে কিছু জানে না, তিনি কীভাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি)চেয়ারম্যান হলেন? আপনি কী করবেন? দল কীভাবে চালাবেন? আপনি বাবর আজমের মতো একজনকে সুপারস্টার বানিয়ে দিলেন, যার ম্যাচ জয়ের ক্ষমতাই নেই। অযোগ্য ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় বসানো হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় অপরাধ।’

মহসিন নকভি পিসিবির চেয়ারম্যানের পাশাপাশি একই সঙ্গে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের খোঁচা দিতে ছাড়েননি ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ম্যাচ শেষের পরই তিনি সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘ভারত দারুণ খেলেছে। সংস্করণ, ভেন্যু, তারিখ বদলাতে পারে। তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ফল একই। পুরো দলকে অভিনন্দন।’

ম্যাচে এভাবে নাস্তানাবুদ হওয়ায় পাক ক্রিকেটারদের ওপর রেগে লাল নকভি। লজ্জায় মুখ দেখানো ভার বুঝেই, ম্যাচ শেষের আগেই তিনি স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। জানা গেছে, পাক বোর্ডের এক কর্মকর্তাকে দিয়ে টিম ম্যানেজার নাভেদ আক্রম চিমাকে বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি। সেখানে বলেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের পারফরম্যান্স কেন হল? এটা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।’ বাবর-শাহিনদের মতো অভিজ্ঞদের বড় ম্যাচে অফফর্মে থাকার হতাশা হয়তো আরও বেশি। হারের পর স্বাভাবিকভাবেই হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমে। সে দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ ইউসুফ মনে করেন পাকিস্তান ক্রিকেট এখন অন্ধকার যুগে আছে। তিনি সমাজ মাধ্যমে লেখেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট থেকে রাজনৈতিক প্রভাব এবং ব্যক্তিগত এজেন্ডা সরিয়ে না নিলে আমরা সেই আগের জায়গায় ফিরতে পারব না। এটা আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় এবং এতে আমার হৃদয়য়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। অযোগ্য ব্যক্তিদের বোর্ড এবং দল থেকে অপসারণ করতে হবে।’ বলাই বাহুল্য, আঙুনের তির কিন্তু সেই নকভির দিকেই।
