জন্মদিনে আবেগপ্রবণ শ্রীমা, ডুব দিলেন ছোটবেলার স্মৃতিতে
জন্মদিনের পাশাপাশি ছবির প্রথম প্রদর্শনী, খুবই ব্যস্ততায় সময় কাটছে অভিনেত্রী শ্রীমা ভট্টাচার্যের।

সকাল থেকে এই দিনটা কেমন কাটছে শ্রীমার? অভিনেত্রী জানান সকালে উঠেই মায়ের হাতের পায়েস-লুচি খেয়ে দিন শুরু করেছেন তিনি। মায়ের হাতের লুচি-পায়েস ছাড়া এই দিনটা তাঁর সম্পূর্ণই হয় না। অভিনেত্রী বলেন, ‘আগের দিন রাত ১২ থেকেই সারপ্রাইজ পেয়েছি বাবা, মা এবং ভাইয়ের থেকে। পরিবারের সকলকে নিয়ে ভালই কাটছে দিনটা।’

এই বিশেষ দিনে ছোটবেলার কোন কথাগুলো বেশি করে ভিড় করে? কোন মুহূর্তগুলো বার বার মনে পড়ে যায় ? শ্রীমা বললেন, ‘স্কুলজীবন খুব মনে পড়ে। চকলেট নিয়ে যাওয়া এবং সেইদিন অন্যরকম ভালবাসা পেতাম সবার থেকে। এই বছর বন্ধুরা কাজ নিয়েই ব্যস্ত, দেখা হল না এটাও একটা খারাপ লাগা। ছোটবেলায় পাড়ার বন্ধুদের, বাড়িতে না জানিয়েই নিমন্ত্রণ করতাম। কত বকুনি খেয়েছি মায়ের কাছে সেই জন্য। এই গুলোই খুব মনে পড়ে।’

উপহার পাওয়ার প্রত্যাশা করেন শ্রীমা? অভিনেত্রীর জবাব,‘আমার মনে হয় না কেউ উপহার পাওয়ার প্রত্যাশা রাখে বলে। মা একটা জামা দেবেই সেটা আমি জানি। বাকি তো জীবনে কত মানুষ আসে যায়। সেরকমই বন্ধুরা কখনও খালি থাকলে পরিকল্পনা করে সেটাই আমার কাছে উপহার। তবে যত বড় হচ্ছি আমি বিশ্বাস করি, অন্যের থেকে যত কম আশা রাখা যায় ততই ভাল।’
বিশেষ মানুষ আছে শ্রীমার? সে কী উপহার দিলেন জন্মদিনে? অভিনেত্রীর জানান ভগবানে বিশ্বাসী তিনি। তাই একটি গেম শোতে অভিনেত্রীকে জিতিয়ে জন্মদিনের উপহার দিয়েছেন অভিনেত্রীকে। আরও যোগ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘নিজের কাছ থাকে একটা প্রত্যাশা রয়েছে আমার, এই বছর আরও দুটো জ্যোতিরলিঙ্গ ঘুরে দেখতে চাই।’
জন্মদিনেই ছবির প্রিমিয়ার। বাবা এবং ভাই কাজের চাপে উপস্থিত না থাকেতে পারলেও অভিনেত্রীর মা উপস্থিত ছিলেন। জন্মদিনে এটাই সব থেকে বড় পাওনা বলে মনে করছেন শ্রীমা।
