মায়ের কথা মনে করে চোখে জল দীপঙ্করের, মেয়ে মীরার অন্নপ্রাশনে আবেগে ভাসলেন অহনা-দীপঙ্কর!
ভালবাসায় ভরা এক ঘরোয়া আয়োজনে সম্পন্ন হল অভিনেত্রী অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায়ের কন্যা ছোট্ট ‘মীরা’-র অন্নপ্রাশন। আপাতত বড়সড় উদ্যাপন নয়, শুধুমাত্র কৃষ্ণ পুজো এবং প্রসাদী ভোগ খাওয়ানোর মধ্য দিয়েই মেয়ের জীবনের এই বিশেষ দিনের সূচনা করলেন দম্পতি। শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই অনুষ্ঠিত হয় একরত্তির মুখেভাতের অনুষ্ঠান।
সকালবেলা কৃষ্ণ পুজোর শেষে প্রসাদী পায়েস মুখে তুলে দেওয়া হয় ছোট্ট মীরার। নিয়ম মেনে এদিন গায়ে হলুদও ছোঁয়ানো হয় ছোট্ট মীরাকে। এরপর দাদুর কোলে বসেই প্রথম ভাত খায় সে। পাশে ছিলেন বাবা-মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। ‘মীরা’ লেখা পোশাকে সেজে মুখেভাতের মুহূর্তে সকলের মন কেড়ে নেয় খুদে তারকা-কন্যা।
মুখেভাতের পরে নিয়ম মেনে ছোট্ট মীরার সামনে রাখা হয়েছিল বিশেষ ডালি, যেখানে ছিল বই, পেন, টাকা ও মাটি। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এর মধ্যে থেকে শিশু যেটি স্পর্শ করে, ভবিষ্যতে সে নাকি সেই দিকেই এগোয়। সবার কৌতূহলের মাঝে বই হাতে তুলে নেয় সে। মেয়ের এই পছন্দ নিয়ে অহনা হাসিমুখে বলেন, মেয়ে বই ধরুক বা টাকা, সব ক্ষেত্রেই তার স্বাধীনতা থাকবে, নিজের পথ সে নিজেই বেছে নেবে।
মেয়ের জন্মের পর দীপঙ্কর জানিয়েছিলেন, তাদের সন্তানের মধ্যে দিয়েই যেন, তাঁর মা ফিরে এসেছেন তাদের কাছে। আর সেই কারণেই মায়ের নামেই মেয়ের নাম রাখা হয়েছে ‘মীরা’। তাই এই বিশেষ দিনে মায়ের স্মৃতিতে আবেগঘন হয়ে উঠেছিল তাঁর মন।
যেহেতু অনুষ্ঠানটি ছিল পুজোকেন্দ্রিক, তাই অতিথিদের জন্য ছিল নিরামিষ ভোজের আয়োজন। এই বিশেষ দিনের প্রতিটি আয়োজন প্রায় নিজের হাতেই সামলেছেন অহনা। পুজোর প্রস্তুতি থেকে শুরু করে তত্ত্ব সাজানো, মেয়েকে সাজানো, সব কিছুতেই ছিল যত্নের ছোঁয়া। এমনকি অনুষ্ঠানের আগের রাতেই স্বামী দীপঙ্করকে সঙ্গে নিয়ে নিজের হাতে তত্ত্ব সাজিয়েছিলেন অভিনেত্রী। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় আনন্দঘন হয়ে উঠেছিল এই অনুষ্ঠান।
