মুখে হাসি থাকলেও, মনে হাসি ছিল না, ফেসবুক লাইভের পরই আত্মহত্যার চেষ্টা গায়িকা দেবলীনার
সবসময় হাসি মুখে ছবি তুললেও, মনে হাসি থাকে না। এটাই হয়তো জীবন। একটা সময় সেই জীবনও আর রাখতে ইচ্ছে না। এই যেমন সঙ্গীতশিল্পী দেবলীনা নন্দী। মঞ্চ থেকে ঘরোয়া ব্লগে সবসময়ই মাতিয়ে রাখতেন এই গায়িকা। ভিতরে ভিতরে ক্ষয়ে যাচ্ছেন তা টের পায়নি কেউই। সম্প্রতি ফেসবুকের লাইভ দেখে অনেকেই আন্দাজ করেছিলেন কোনও অঘটন ঘটতে চলেছে। হয়েছেও ঠিক তাই। চাপা ক্ষোভ সমাজ মাধ্যমে উগড়ে দিয়েই আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সঙ্গীতশিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। আপাতত হাসপাতালে, স্থিতিশীল। চলছে চিকিৎসা।তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন অনুরাগীরা।
কণ্ঠের মাধুর্য, প্রাণবন্ত হাসি আর সহজ সরল উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই শ্রোতাদের মন জয় করে আসছিলেন দেবলীনা। তবে শেষ ফেসবুক লাইভে আর হাসি ফুটে ওঠেনি তাঁর চোখে-মুখে।জীবনের অজানা কষ্ট, চাপা ক্ষোভ, মানসিক চাপ এবং ভেঙে পড়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন একের পর এক। প্রথমে কর্মজীবন, এরপর পারিবারিক চাপের কথা উল্লেখ করেন।লাইভেই অনুরাগীদের দেবলীনা বলেন, ‘আমি ভালো নেই’। তিনি সমস্যার কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমি অনেক চেষ্টা করলাম তবে পারলাম না। এই লাইভটা হয়তো যখন সকলে দেখবে আমি থাকব না।… এই কথা শুনে অনেকেই আন্দাজ করেছিলেন কোনও চরম পদক্ষেপ নিতে চলেছেন গায়িকা।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে পেশায় পাইলট প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন দেবলীনা।এরপরই গানের কেরিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় শ্বশুড়বাড়ির তরফে। সমস্যা শুরু হয় দেবলীনার মা’এর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়েও। কারণ, তাঁর মা উচ্চশিক্ষিত নন, সুন্দরীও নন। তা নিয়েও খোঁটা দিতে থাকেন শ্বশুড়বাড়ির লোকেরা। বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি সমানভাবে দায়িত্ব পালন সত্ত্বেও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি হেরে গিয়েছেন বলেই দাবি করেন। এরপরই চরম সিদ্ধান্ত নেন টলিউডের গায়িকা।
