মিরাকেল! এক যুগ পর সাড়া মিলল গতির রাজা শুমাখারের! এখন আর শয্যাশায়ী নন, বসছেনও!
এক যুগ পর মিলল সাড়া। মাইকেল শুমাখার সাড়া দিলেন। ছাড়লেন বিছানা। বসলেন হুইলচেয়ারে। তাঁর চিকিত্সা নিয়ে খুব কম আপডেট দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর থেকেই শ্যুমাখারের পরিবার চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেছে। অবশেষে এক রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে, উঠে বসতে পারছেন তিনি। হুইলচেয়ারে করে বাড়িতেই ঘোরানো হচ্ছে ফর্মুলা ওয়ানের ট্র্যাকে গতির ঝড় তোলা কিংবদন্তিকে।
একসময় গতিই ছিল তাঁর জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান।সেই মাইকেল শুমাখারই ২০১৩ সালে ফ্রান্সের আল্পস পর্বতে স্কিইং করার সময়ে পাথরে ধাক্কা খেয়ে ছিটকে পড়েছিলেন।গতির দুনিয়ায় সম্রাট হলেও, বরফের ঢালে গতি যে কতখানি বিপদজনক হতে পারে, সেটা তিনি আঁচ করতে পারেননি। তারপর থেকেই স্তব্ধ হয়েছিল তাঁর জীবন পথ। চলে গিয়েছিলেন গভীর কোমায়। আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন সবাই। দীর্ঘ ছয় বছর কোমায় থাকার পর আচমকাই সাড়া দেন। কোমা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তবে ফিরতে পারেননি সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে।
জানা গিয়েছে, এখন আর শয্যাশায়ী নেই শুমাখার। সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নাকি এখন হুইলচেয়ারে বসতে পারেন। যদিও পরিবারের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবু এই রিপোর্ট নতুন করে শুমাখারকে আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর, দুর্ঘটনার পর থেকেই শুমাখারকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। পরিবার তা গোপনও রেখেছে। তবে চিকিত্সায় কোনও গাফিলতি নেই। একযুগ পর তাঁকে দেখা না গেলেও, তাঁর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার খবর ভক্তদের স্বস্তি দিল।
ফর্মুলা ওয়ানের ইতিহাসে শুমাখার অন্যতম কিংবদন্তি। এমন কোনও খেতাব নেই, যা তাঁর ঝুলিতে নেই। ৯১টি গ্রাঁপি ও সাতটি বিশ্বখেতাব জয়ের রেকর্ড রয়েছে তাঁর। ৫৯ বছর বয়সি শুমাখার তাঁদের লেক জেনেভার বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।
