‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’! প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, রশ্মিকা-বিজয় বিয়েতে ভোলেননি দক্ষিণী সংস্কৃতি

অবশেষে মাহেন্দ্রক্ষণ। অনুরাগীদের ‘বিরোশ’ জীবনের ইনিংস শুরু করতে চলেছেন। রশ্মিকা মন্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডাকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উদয়পুরের পাহাড়ি নির্জনতায় ঘেরা এক বিলাসবহুল রিসর্টেই গাঁটছড়া বাঁধবেন ‘বিরোশ’। ভক্তরাই যাঁর নাম দিয়েছেন ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় লিখেছেন, ‘২০২৬ – এর ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলা বিজয় এবং রশ্মিকার বিয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি আনন্দিত। সত্যিকারের আনন্দময় এবং শুভ সময় উপলক্ষে দেবেরাকোন্ডা ও মন্দানা পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের সংস্কৃতিতে সখা সপ্তপদা ভাব-এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। সাত পা একসঙ্গে চলার মাধ্যমে দু’জন মানুষ আজীবনের বন্ধু ও সঙ্গী হয়ে ওঠেন। বিজয় ও রশ্মিকা চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যে নতুন নন, কিন্তু তাঁদের বাস্তব জীবনের এই অধ্যায়, যা ভালোবাসা ও বিশ্বাসে গড়া, নিঃসন্দেহে পর্দার জাদুকেও ছাপিয়ে যাবে।’
উদয়পুরের প্রাসাদে রাজকীয় বিয়ে। তবে দক্ষিণী সংস্কৃতি ভুলে যাননি কেউই। জানা গেছে, সাজপোশাক থেকে মেনু সবেতেই নিজস্ব আঞ্চলিক ছোঁয়া বজায় রেখেছেন। যেমন, ‘ওয়েলকাম ড্রিঙ্ক’ হিসেবে অতিথিদের দেওয়া হচ্ছে নারকেল জল। শুধু তাই নয়, বিয়ের তিন দিন খাবার পরিবেশন করা হবে নাকি কলাপাতাতেই। তেলেঙ্গানা, অন্ধ্র এবং কর্ণাটকের চিরাচরিত সব পদই পাওয়া যাবে।আর বিয়ের সাজসজ্জার জন্য স্থানীয় ফুল ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রশ্মিকা ও বিজয়।
খোলা আকাশের নিচে সাত পাকে ঘোরার জন্য এখানে আছে বিশাল লন এবং সুন্দর জায়গাতেই বসবে বিয়ের আসর। বিয়ের আগের দিন, বুধবারই উদয়পুরে বসেছে মেহেন্দির অনুষ্ঠান। মেহেন্দির অনুষ্ঠানেই রশ্মিকাকে আশীর্বাদ স্বরূপ তুলে দেবেন পরিবারের ঐতিহ্যবাহী বালা।
সম্প্রতি তাঁরা নিজেদের প্রি-ওয়েডিং অনুষ্ঠানের কিছু ঝলক সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। কখনও পাহাড় ঘেরা পুলের মাঝে সারি সারি গ্লাস আর তার সঙ্গে অতিথিদের জলকেলি করতে দেখা যায়। নৈশভোজের ছবিও আসে প্রকাশ্যে। সূত্রের খবর, বিয়েতে কোকিলাবেন, মুকেশ, নীতা, আকাশ ও শ্লোকা আম্বানি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। বিয়ের পর আগামী ৪ মার্চ হায়দরাবাদে চলচ্চিত্র জগতের বন্ধু ও সহকর্মীদের জন্য একটি জমকালো রিসেপশনের আয়োজন করবেন।
