মরক্কোকে হারিয়ে আফ্রিকা সেরা সেনেগাল! এরপরও কি শাস্তি এড়াতে পারবেন সাদিও মানেরা?

আফ্রিকা সেরা সেনেগাল। তীব্র উত্তেজনার নাটকীয় ম্যাচে ১-০ গোলে মরক্কোকে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ নেশনসের খেতাব ঘরে তুলেছে সেনেগাল। ঘটনাবহুল ম্যাচ শেষে হল বিতর্কও। রক্কোর রাজধানী রাবাতে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকলেও অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই দর্শনীয় এক গোল করেন পাপা গুইয়ে। সেই গোলেই দ্বিতীয়বারের জন্য এই খেতাব নিশ্চিত হয় সেনেগালের।এর আগে ২০২১ সালে প্রথমবার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল তীব্র উত্তেজনা। পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে মরক্কো।ম্যাচের শেষ দিকে মরক্কো সুবর্ণ সুযোগ পায় পেনাল্টি পাওয়ায়। কিন্তু হতাশ করেন ব্রাহিম দিয়াজ। শট মারেন গোলপোস্টের বাইরে। এই পেনাল্টি দেওয়াকে কেন্দ্র করেই ম্যাচে তীব্র উত্তেজনার তৈরি হয়। সেনেগালের খেলোয়াড়রা প্রথমে তা মানতে না চেয়ে রেফারিকে ঘিরে ধরেন। সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনেগাল কোচ পাপ থিয়াও খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে ডেকে নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন সেনেগালের অধিনায়ক সাদিও মানে। তার হস্তক্ষেপে খেলা আবার স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যায়।

এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। শুরুতেই ইদ্রিসা গেয়ির থ্রু বল ধরে দুর্দান্ত কোনাকুনি শটে জয়সূচক গোলটা করেন পাপা গুইয়ে। যারপর আর মরক্কো সমতা ফেরাতে পারেনি।
পেনাল্টির বিরোধিতা করে প্রায় ২০ মিনিট মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন সেনেগালের ফুটবলাররা। তাতে খেতাব জিতলেও নিয়মভঙ্গের জন্য কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারেন তাঁরা।

ফাইনালের উত্তপ্ত মুহূর্তে প্রধান কোচ পাপে থিয়াওকে খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে ইশারা করতে দেখা গেছে,যা আফকনের নিয়মাবলির ৩৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। পরে সেনেগাল দল মাঠে ফিরে এসে খেলা শেষ করে। তাতে সরাসরি বহিষ্কার না হলেও, শাস্তি এড়াতে পারবেন না বলেই মনে করছেন অনেকে। হতে পারে আর্থিক জরিমানা। অথবার নির্বাসনও হতে পারে সেনেগাল ফুটবল দলের। তাতে অবশ্য ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলায় প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছেন অনেকে।

