দ্বিতীয় ইনিংসে শামির ৫ উইকেট শিকার, কোয়ার্টার ফাইনাল যেতে বাংলার দরকার ২ উইকেট
রঞ্জিতে প্রথম ২ দিন খেলার শেষে পূর্বাভাস যেমন ছিল, তৃতীয় দিন খেলা সে দিকেই গড়িয়েছে। আরও কোণঠাসা হয়েছে সার্ভিসেস। আরও উজ্জ্বল হয়েছে বাংলার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা। বাংলার প্রথম ইনিংসের ৫১৯ রানের জবাবে সার্ভিসেস প্রথম ইনিংস থমকে গেছে ১৮৬ রানে। ফলে, ফলো অন করিয়েছে বাংলা। দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে সার্ভিসেস ২৩১ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়েছে। এখনও পিছিয়ে ১০২ রানে। বাংলার ইনিংসে জয় পেতে দরকার আর মাত্র ২ উইকেট।
সার্ভিসেসের ব্যাটারদের ওপর একেবারে ছড়ি ঘোরাচ্ছে বাংলার বোলাররা। তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে মহম্মদ শামির দাপট ছিল দেখার মতো। অনেকদিন পর ফাইফার হলেন তিনি। ১৬ ওভারে ৫১ রান দিয়ে তুলে নেন ৫ উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এই নিয়ে ১৪ বার শামি ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন।
১২৬ রানে ৮ উইকেট নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে সার্ভিসেস। সার্ভিসেসের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৫৩.৫ ওভারে ১৮৬ রানে শেষ হয়। কার্যত একাই লড়াই করেন নকুল শর্মা। তিনি ৮৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলার হয়ে প্রথম ইনিংসে মহম্মদ শামি নেন ২ উইকেট। ৪টি উইকেট পান সূরজ সিন্ধু জয়সওয়াল, ৩টি উইকেট পান আকাশ দীপ। একটি উইকেট পান শাহবাজ।
দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয় অব্যাহত সার্ভিসেসের। মাত্র ১৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেটের পতন হয়। এরপর মোহিত আহলাওয়াত (৬২) এবং রজত পালিওয়াল (৮৫)-এর সৌজন্যে লড়াইয়ে ফেরে তারা। যোগ হয় আরও ১১৯ রান। এই জুটি ভাঙলে, ফের পরপর উইকেট হারায় সার্ভিসেস। প্রথম ইনিংসে অপরাজিত থাকা নকুল ফেরেন মাত্র ৪ রান করে। মহম্মদ শামির ৫ উইকেট ছাড়াও, বাংলার হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মুকেশ কুমার তুলে নেন ২ উইকেট, সূরজ সিন্ধু নেন ১ উইকেট। মনে করা হচ্ছে, রবিবার সকালের মধ্যেই সার্ভিসেসকে অলআউট করে ৭ পয়েন্ট ঘরে তুলবে অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল। গ্রুপ ‘সি’-তে ৫ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে লক্ষ্মীরতনের দল।এই ম্যাচ জিতলেই নিশ্চিত হয়ে যাবে রঞ্জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা।
