মাত্র ৯ বছরের অভিজ্ঞতা কিছুই নয়, ৫০ বছরের শিল্পীদের কাছেই শেখার আছে: অন্বেষা

0

টেলিভিশন দুনিয়ার জনপ্রিয় ধারাবাহিক আনন্দী নিয়ে দর্শকের আগ্রহের শেষ নেই। সেই ধারাবাহিকেরই মুখ্য অভিনেত্রী অন্বেষার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার ঘিরে উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা, আবেগ এবং ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব চিত্র। নতুন চরিত্রে অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ থেকে শুরু করে দর্শকের ভালোবাসা, ট্রোলিং, এমনকি ধারাবাহিক বন্ধ হওয়ার গুঞ্জন—সবকিছু নিয়েই খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

দর্শকের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আবেগঘন মন্তব্য করেন অভিনেত্রীর। আডিশনের পক্ষ থেকে নেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান , আনন্দী ও আদির জুটিকে দর্শকরা যে ভালবাসা দিয়েছেন, তা তাঁদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। বর্তমান সময়ে যেখানে বেশিরভাগ সিরিয়াল স্বল্পমেয়াদি, সেখানে এক বছর ধরে ধারাবাহিকটি সফলভাবে চলা তাদের কাছে যথেষ্ট আনন্দের।

পর্দার ‘আনন্দী’ জানান , টেলিভিশনে এই প্রথমবার তাকে মৃত মানুষের চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছে। যা তাঁর কাছে একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। যদিও শুটিংয়ের সময় বৃষ্টির কারণে কাজ করা কিছুটা কঠিন হলেও ,এই চ্যালেঞ্জ তিনি বেশ ভাল ভাবেই উপভোগ করেন।

নিজের অভিনয় নিয়েও বিনয়ী মনোভাব প্রকাশ করেন অন্বেষা। তিনি জানিয়েছেন, “আমি ইন্ডাস্ট্রিতে সাড়ে ৮ বছরের বেশি আছি , তবে আমি একটাই কথা বলতে চাই কাজ করছি ভাল কথা যেন এভাবেই কাজ করে যেতে পারি। এর থেকে বেশি কিছু ভাবার নেই,অহংকার করে বলার দরকার নেই যে প্রতিনিয়ত আমার কাজ আসছে। মাত্র ৯ বছর ধরে কাজ করছি ,১৯ বছর কাজ করলেও এটাই ভাববো মাত্র ১৯ বছর কাজ করেছি। অনেকে আছে যারা ৫০ বছর বছর ধরে কাজ করছেন,আমি সেখানে কিছুই করতে পারিনি। আমার কাছে এই মনোভাবটা খুব জরুরি।”

অন্যদিকে, আনন্দী ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন নিয়েও মুখ খোলেন অভিনেত্রী। তিনি যোগ  করেন ,”এসব গুঞ্জনের কোনও ভিত্তি নেই। আসলে আমাদের সঙ্গে আগামিকাল কী হবে আমরা তাই জানি না। যদিও একসময় শোনা গিয়েছিল ১৭ তারিখে শেষ শুটিং হবে, পরে হঠাৎই জানানো হয় ধারাবাহিকের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পুরো টিম।”

সব মিলিয়ে অন্বেষার কথায় স্পষ্ট, অভিনয় জীবনে তিনি এখনও নিজেকে শিখতে থাকা একজন শিল্পী হিসেবেই দেখেন। সাফল্য বা সমালোচনা কোনওটাই তাকে বিচলিত করে না। বরং কাজ করে যাওয়াটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed