মহানায়িকার ৯৬তম জন্মবার্ষিকীতে, বাংলাদেশ সরকারের কাছে, ‘পাবনার শিল্পীকে’ সম্মান জানানোর আর্জি তসলিমার

0

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেনের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা ওপার বাংলায়। ৬ এপ্রিল, মহানায়িকার ৯৬তম জন্মদিনে যখন তাঁর স্মৃতিচারণে ভাসছেন অনুরাগীরা, ঠিক তখনই বাংলাদেশের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমের একটি পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, “ পাবনার ছেলে গোপাল সান্যাল। যুক্তরাষ্ট্রে বাস। লালন উৎসব, লোক সংস্কৃতি উৎসব , সুচিত্রা সেন সিনে উৎসব, বঙ্গবন্ধু বইমেলা ইত্যাদি নানা সাংস্কৃতিক উৎসবের তিনি উদ্যোক্তা। পাবনার ছেলে বলেই পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেনের নাম স্মরণীয় করে রাখতে চান, তাই পাবনার এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রীনিবাসের নাম ‘সুচিত্রা সেন ছাত্রীনিবাস’ রাখার জন্য যা কিছু করা দরকার করেছিলেন। কিন্তু  জুলাই এসে লণ্ডভণ্ড করে দেয় সব। সুচিত্রা সেনের সাইনবোর্ড ফেলে দিয়ে  ছাত্রীনিবাসের নতুন নাম ঝুলিয়ে দেয় মবসন্ত্রাসীরা। সেই থেকে পাবনা হারিয়েছে তার সুচিত্রা সেনকে।”

তসলিমার বক্তব্য, পাবনার বাসিন্দা গোপাল সান্যাল বহু বছর ধরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সুচিত্রা সেনের স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন। সেই সূত্রেই ওই ছাত্রীনিবাসের নামকরণ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই নাম সরিয়ে অন্য নাম দেওয়া হয়, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লেখিকা।

এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে তসলিমা লেখেন, “আজ ৬ এপ্রিল সুচিত্রা সেনের ৯৬তম জন্মদিন। এই দিনে আমেরিকার সুচিত্রা সেন মেমোরিয়াল পাবনার এডওয়ার্ড স্কুলের ‘সুচিত্রা সেন ছাত্রীনিবাস’ নামটি ফেরত চাইছে। আমি তো মনে করি মেমোরিয়ালের আবেদনে প্রশাসনের সাড়া দেওয়া উচিত”।

উল্লেখ্য, ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন সুচিত্রা সেন। দেশভাগের পর কলকাতায় এসে তিনি বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেন। ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, ‘হারানো সুর’, ‘সাত পাকে বাঁধা’-র মতো একাধিক ছবিতে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা সিনেমার চিরকালীন মহানায়িকা।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *