এসআইআর শুনানিতে ডাক শহরের বিশিষ্টদের! সরব পরমব্রত, তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনা !

0

জাতীয় দলে দীর্ঘদিন খেলা মহম্মদ শামি, বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন খেলা লক্ষ্মীরতন শুক্লা, এমনকি মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপন সাধন (টুটু) বসু থেকে মোহনবাগানের বর্তমান সচিব সৃঞ্জয় বসু— এসআইআর শুনানিতে তালিকা যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।

এসআইআর শুনানির নামে রাজ্যের বিশিষ্টজনেদের যেভাবে তলব করা হচ্ছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠছে প্রশ্ন।
কেন টুটু বসুকে তলব? তিনি রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ, দেশের অন্যতম বড় শিল্পপতি এবং মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতিও। তারপরেও? কমিশনের তরফে নোটিসে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালে টুটু বসু ও তাঁর পরিবার যেখানে থাকতেন, সেই বিধানসভার ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নেই। তাই তাঁদের তলব করা হয়েছে। 
এই ডাক পাওয়ার তালিকায় কে নেই!  নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন থেকে শুরু করে কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য।একাধিক খেলোয়াড়কে এসআইআর শুনানিতে তলবের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ক্রীড়ামহলও। এই নিয়ে ময়দানে ক্ষোভও জানান মানস ভট্টাচার্য, দীপেন্দু বিশ্বাস, অলোক মুখোপাধ্যায়েরা। তাঁদের অভিযোগ, কেউই যেন বাদ যাচ্ছেন না। মেহতাব হোসেন থেকে অলোক মুখোপাধ্যায়ের পরিবারকেও ডাকা হয়েছে।
ক্ষোভ-বিক্ষোভ এখানেই থেমে থাকেনি।মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশন জমা দিতে হাজির হয়েছিল ‘বাংলা একতা মঞ্চ’। যেখানে হাজির হয়েছিলেন  অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন পরিচালক তথা সঙ্গীতপরিচালক  ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। এ ছাড়াও দেখা গিয়েছে  পোশাকশিল্পী অভিষেক রায়-সহ আরও অনেককে।  সূত্রের খবর,  এ দিনই নাকি নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন পরমব্রত-সহ অন্যান্যরা। যদিও রাজনীতির মঞ্চে পরমব্রতকে দেখে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন।জল্পনা বেড়েছে, ২০২৬-এর নির্বাচনে কি তা হলে রাজনীতির ময়দানে  দেখা যাবে পরমব্রতকে! প্রার্থী হিসাবে কি নির্বাচনে লড়বেন অভিনেতা?এসআইআর প্রসঙ্গে পরমব্রত বলেন, “আমি একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। তাদের তরফেই ডেপুটেশন দিতে আসা।এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে নাগরিকত্ব কানেক্ট হয়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। এই আতঙ্ক কাটাতে হবে।আমাদের এই প্রচেষ্টার ফলে ঠিক কী ফলাফল মিলবে তা আমরা জানি না।”

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *