‘ধারাবাহিকে বিয়ে করলেও, এই অনুভূতি অন্যরকম’, বিয়ের মণ্ডপ থেকে কী বললেন মধুমিতা?
বিয়ে নিয়ে প্রতিটা মেয়ের জীবনেই অনেক স্বপ্ন থাকে। বিশেষ দিনে কী রঙের শাড়ি পরবেন? গয়না কেমন হবে? এই সব কিছু। তেমনই অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারও ভেবে রেখেছিলেন এ দিন কেমন সাজবেন। যেমনটা কল্পনা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই বধূবেশে ধরা দিলেন নায়িকা। আদ্যোপান্ত বাঙালি সাজে দেখা গেল মধুমিতাকে।

পরনে জাল কাজের লাল বেনারসি। সেই সঙ্গে মানানসই ডিজাইনার ব্লাউজ৷ গলায় সোনার নেকলেস, লম্বা চেন। হাতভর্তি সোনার চুড়ি। নায়িকার বিয়ের সাজে সবচেয়ে নজর কেড়েছে মাথার টিকলি আর টায়রা৷ বিয়ের মণ্ডপে মধুমিতা বললেন, “একটু একটু নার্ভাস লাগছে৷ ধারাবাহিকে অনেক বার কনে সাজলেও এই সাজটা খুব বিশেষ। কোনও কিছুর সঙ্গে এই দিনের কোনও তুলনা হয় না।” বরবেশে দেবমাল্যকেও দেখাচ্ছিল অন্যরকম। বর-কনে দুজনের পোশাকেই ছিল রংমিলান্তি।
আমন্ত্রিতর তালিকায় ছিলেন ঊষসী রায়, রোশনি ভট্টাচার্য, চন্দন সেন, ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। ঊষসী বললেন, “বিশেষ দিনে বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে চাই। ও যেন খুব ভাল থাকে সারাজীবন।” মধুমিতা-দেবমাল্যর বিয়েতেও ছিল বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। বিয়েবাড়ি থেকে বেরোনোর সময় জানালেন, বিরিয়ানি থাকলে আর কিছু চান না তিনি৷ জমিয়ে বিরিয়ানি আর ফিশফ্রাই খেয়েছেন। পর্দায় মধুমিতা আর রোশনি একেবারে সাপে নেউলে। কিন্তু বাস্তবে পুরো উল্টো। মধুমিতার বিয়েতে সেই বন্ধুত্বের সমীকরণও ধরা পড়ল।
মালাবদলের জন্যও বিশেষ আয়োজন ছিল। হাসতে হাসতেই পরস্পরের গলায় মালা দিলেন মধুমিতা-দেবমাল্য। এখন শুধুই সিঁদুরদানের অপেক্ষা। নববধূরূপে নায়িকার এক ঝলক পাওয়ার প্রতীক্ষায় অনুরাগীরা।
