দশম শ্রেণির পরীক্ষা শেষ, হতেই বন্ধুদের সঙ্গে নিজস্বী! কতটা স্বস্তিতে ‘কুসুম’-এর তনিষ্কা?

0

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী তনিষ্কা তিওয়ারি। যদিও এখন সবাই তাকে  কুসুম নামেই চেনে। জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কুসুম’-এ মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছে সে। অল্প বয়সেই নিজের অভিনয় দক্ষতায় দর্শকের মন জিতে নিয়েছে তনিষ্কা। তবে পর্দায় ব্যস্ত নায়িকা হলেও বাস্তব জীবনে সে দশম শ্রেণির ছাত্রী।

শনিবার শেষ হল খুদে অভিনেত্রীর দশম শ্রেণির পরীক্ষা। শেষ পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে বেশ খোশমেজাজেই ধরা দিল তনিষ্কা। পরীক্ষা শেষ হতেই বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ সহকারে নিজস্বী তুলতে দেখা গেল তাকে।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কেমন লাগছে তার? আডিশন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তনিষ্কা বলে, “খুবই ফ্রি লাগছে। মনে হচ্ছে কাঁধে যে বড় বোঝা ছিল, সেটা যেন নেমে গেল। অনেক চাপ ছিল। রাত জেগে পড়াশোনা করতে হয়েছে। আজও সারারাত পড়ে সকাল ৬টায় ঘুমিয়েছি। এখন খুব ফ্রি লাগছে, বন্ধুদের সঙ্গে খুব মজা করছি।”

অভিনয় আর পড়াশোনা, দুটো একসঙ্গে সামলানো মোটেই সহজ নয়। সেই প্রসঙ্গেই অভিনেত্রী জানায়, অনেক পরিশ্রম করতে হয়। তবে ছোটবেলা থেকে শুটিং করে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে সে। তনিষ্কা যোগ করে, “শুটিং-এর ফাঁকে যখনই একটু ফ্রি টাইম পাই, তখনই পড়াশোনা করি। সবাই যেখানে সকালে পড়ে, আমাকে বেশিরভাগ সময় রাতেই পড়তে হয়।”

পরীক্ষার জন্য বেশ কিছুদিন ধারাবাহিকে তাঁর উপস্থিতি কম ছিল। তবে এবার আবার পুরোদমে পর্দায় ফিরতে চলেছে অভিনেত্রী। দর্শকের উদ্দেশ্যে তনিষ্কা বলে, “এবার আবার রোজ দেখা হবে। তাই কুসুম দেখতে থাকুন।”

দর্শকের ভালবাসা আর আশীর্বাদ পেয়েই সে এতদূর এগোতে পেরেছে। তার কথায়, “ভবিষ্যতেও সবাই যেন এভাবেই পাশে থাকেন”। অভিনয়ের জগতেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে চায় তনিষ্কা। এই সাফল্যের পিছনে পরিবারের সমর্থনকেই সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করে সে। তনিষ্কার কথায়, “আমার পরিবার ভীষণ সাপোর্টিভ। বাবা-মা কোনওদিনই আমাকে কোনও কিছু করার জন্য চাপ দেয়নি।”

পর্দায় ‘কুসুম’ শান্ত স্বভাবের হলেও বাস্তবে কিন্তু বেশ দুষ্টুমিও করে তনিষ্কা। সেই কথাও অকপটে স্বীকার করেছে অভিনেত্রী, এবং তাঁর বন্ধুরা। হেসে সে বলে, “তনিষ্কা লাস্ট বেঞ্চে বসে চিপসও খায়, আবার বন্ধুদের সঙ্গে কেঁদেও ফেলে।”

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *