মাতৃভাষা দিবসেই লাল হলুদ আবির যুবভারতীতে, এজেজারির জাদুকাঠির ছোঁয়া আইএসএলে শুরুতেই শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল

0

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…একটা দিন। যেদিন আর রক্ত নয়, আগুন দেখা গেল যুবভারতীতে। লাল হলুদ ফুটবলাররা স্পেশাল করে তুললেন যেন মাতৃভাষার আন্দোলনও।
যুবভারতী জুড়ে শুধু লাল হলুদ আবির। হবে নাই বা কেন? অনেকদিন পর যেন ইস্টবেঙ্গল খেলা শুরু করেছে রাজার মতোই। সমর্থকরা তো তাই-ই চান। একেবারে রূপকথার কাঠি হাতে যেন হাজির ইউসেফ এজেজারি। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোলে অভিষেক হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেও উপহার দিলেন তিনি জোড়া গোল। তাঁর ম্যাজিক্যাল মোমেন্টেই প্রাণ পেয়েছে যেন লাল হলুদ শিবিরও। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের পর স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লিকে ৪-১ গোলে হারালো অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা। তাতে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএলের শুরুতে শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল। লাল হলুদের হয়ে বাকি দুটি গোল করেন এডমুন্ড লালরিনডিকা ও মিগুয়েল ফিগোয়েরা। অন্যদিকে আইএসএলে জোড়া ম্যাচ হারল দিল্লি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে অবশ্য এদিন মাঠে নামেননি অ্যান্টন সোজবার্গ। 


অথচ ম্যাচ শুরু হয়েছিল উল্টো স্রোতে। চার মিনিটের মধ্যেই গোল হজম করে ইস্টবেঙ্গল।  বক্সের ভিতরে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শটে গোল করে গেলেন অগাস্টিন। স্তব্ধ হয়ে যায় লাল হলুদ গ্যালারি। তবে লাল হলুদ এ বার যেন অন্য মেজাজে। তিন মিনিটের মধ্যেই স্বস্তি ফেরায় সমর্থকদের। ৭ মিনিটে বিপিনের ফ্রিকিক থেকে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন দিল্লির ডিফেন্ডাররা। বল চলে যায় এডমন্ড লালরিনডিকার কাছে। তাঁর জোরাল শটেই আসে সমতা। ১১ মিনিটে বক্সের মধ্যে এডমুন্ডকে ফাউল করেন দিল্লির এক ডিফেন্ডার। ১২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান ইউসেফ এজেজারি।এরপর তিনিই ৪০ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ান। মিগুয়েল বক্সের ভিতরে এজ়েজারিকে ফলো করে দারুণ একটি থ্রু পাস দেন। গোলকিপার লাইন ছেড়ে এগিয়ে আসলেও এজেজারি শান্ত থেকে বলটি গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন। প্রথমার্ধেই যেন ফল নির্ধারণ হয়ে যায়। শেষ পেরেকটি গত ম্যাচের মতোই ইনজুরি টাইমে দেয় ইস্টবেঙ্গল। ৯৪ মিনিটে মিগুয়েল বল নিয়ে বক্সের কাছে চলে আসে, সেখান থেকেই লম্বা শটে গোল এনে দেন। তাতেই বসন্তে লাল হলুদ আবিরে ছেয়ে যায় যুবভারতী।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *