আর সিনেমায় গান নয়! আচমকাই অবসর! মন খারাপের সুর অরিজিৎ সিংয়ের বার্তায়
‘প্লেব্যাক’ থেকে বিদায় অরিজিৎ সিংয়ের। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে হৃদয়বিদারক বার্তা গায়কের! রীতিমতো চমকে দিয়েছেন একটা ঘোষণায়। প্লে ব্যাকে অবসর! শ্রোতাদের, অরিজিৎপ্রেমীদের উদ্বেগ, বিস্ময়, হতাশা, আফশোস। বছর শুরুতেই হাজার হাজার শ্রোতাদের মন ভেঙে দিলেন গায়ক অরিজিৎ সিং। জানিয়ে দিলেন, আর প্লে ব্যাক করবেন না জনপ্রিয় এই গায়ক। সমাজমাধ্যমে লিখলেন, ‘সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এত বছর শ্রোতা হিসেবে আপনারা অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, সে জন্য ধন্যবাদ। আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, আমি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসাবে কোনও কাজ গ্রহণ করব না। আমি প্লেব্যাক গাওয়া বন্ধ করলাম। এটা একটি অনবদ্য সফর ছিল।’ মুহূর্তে ভাইরাল হয় সেই বার্তা, আচমকা ঘোষণায় বাকরুদ্ধ অরিজিৎপ্রেমীরা। লক্ষ শ্রোতাদের মনেও হাহাকার।
কত গান তাঁর কণ্ঠে প্রাণ পেয়েছে বাংলা, হিন্দি সিনেমায়।
২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’ সিনেমার প্রথম গান ফির মহম্মত দিয়ে প্লেব্যাক জার্নি শুরু করেছিলেন অরিজিৎ। ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গানটি অরিজিৎ সিংয়ের জীবনের মোড় বদলে দিয়েছিল। তারপর থেকে গায়ককে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। গেরুয়া, মন মাঝি রে, বোঝেনা সে বোঝেনার মতো অসংখ্য শ্রোতা প্রিয় গান উপহার দিয়েছেন।‘এ দিল হ্যায় মুশকিল’-এর টাইটেল ট্র্যাক, ‘হাওয়াইন’,‘আপনা বানা লে’, ‘সাজনি’, ‘ভে মাহী’, ‘গেহরা হুয়া’, কিংবা সাম্প্রতিক ‘ঘর কব আওগে’ প্রতিটি গানেই ফুটে উঠেছিল নিজস্বতা।হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং কন্নড় ভাষায় ৩০০ টিরও বেশি ছবিতে কণ্ঠ দিয়েছেন। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই এমন সিদ্ধান্ত কেন? এই প্রশ্নই চারিদিকে।
কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত—এ প্রশ্নে কোনও নির্দিষ্ট উত্তর দেননি অরিজিৎ। একি অভিমান? সত্যি আর কখনও প্লে ব্যাক করবেন না? সময়ই হয়তো তার উত্তর দেবে।পরে এক্সে দেওয়া আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কিছু কাজ এখনো বাকি আছে। সেগুলো শেষ করব। অর্থাৎ এই বছর কিছু রিলিজ পাবেন।’ তিনি প্লে ব্যাক বন্ধ করলেও, গান যে থামাচ্ছেন না তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন। মানে, নতুন কিছুর সম্ভাবনাও বেড়েছে।
