রঞ্জি জয়ের স্বপ্ন বাড়ল! সুদীপের ২৯৯ কীর্তিতে অন্ধ্রকে ইনিংসে হারিয়ে সেমির দরজা খুলল বাংলা
সুদীপ ঘরামির ব্যাট হাতে অনন্য কীর্তি। অন্ধ্রপ্রদেশ পাহাড় ডিঙোনোর সাহস দেখাতে পারেনি। এরপর শাহবাজের ঘূর্ণি বোলিং। পথ আরও দুর্গম হয়ে উঠেছিল অন্ধ্রের ব্যাটারদের জন্য। অবশেষে পঞ্চম দিনে এসে হার স্বীকার। ইনিংস ও ৯০ রানে ঝকঝকে জয় বাংলার।তাতেই রঞ্জির কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সেমিফাইনালের টিকিট কেটে ফেলল লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। চলতি মরশুমে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে বাংলা। যার জেরে বহুদিন পর রঞ্জি জয় স্বপ্ন দেখছে বাংলার ক্রিকেটাররা। এবার সেমিফাইনালে বাংলার প্রতিপক্ষ জম্মু ও কাশ্মীর।

প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রপ্রদেশ ২৯৫ রান তোলে। সেখানে অন্ধ্রপ্রদেশকে থামাতে বল হাতে জ্বলে ওঠেন মুকেশ কুমার, আকাশদীপ। ৬৬ রান খরচ করে ৫ উইকেট মুকেশ, ৭৯ রান খরচ করে ৪ উইকেট নেন আকাশ দীপ। অন্যটি নেন মহম্মদ শামি। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্য়য়ে পড়ে বাংলা। ৫০ রান তোলার আগেই ৩ উইকেট হারায় বাংলা। ১৫০ রানের মধ্যে ৫ উইকেট। যখন বিপদে দল, তখনই ত্রাতা হয়ে ওঠেন সুদীপ কুমার ঘরামি। ৫৯৬ বল খেলে ২৯৯ রান করেন। এরসঙ্গে সুমন্ত গুপ্তর ৮১ রান ও শাকির হাবিব গান্ধীর ৯৫ রান করে মহামূল্যবান সঙ্গ দেন সুদীপকে। শেষদিকে আবার ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন মহম্মদ শামি। তিনি ৩৩ বলে ৫৩ রান করেন। সব নিয়ে ৬২৯ রান তোলে অভিমন্যু ঈশ্বরনের দল।
চতুর্থ দিনে ৬৪ রানে ৩ উইকেট পড়ে যায় অন্ধ্রর। তখনই বোঝা গিয়েছিল খেলা কোন পথে এগোচ্ছে। বাংলার যদিও প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে আগেই ড্র হলেও সেমিফাইনাল কনফার্ম হয়ে গিয়েছিল। তবু শেষদিন ৭ উইকেট তুলে নিয়ে সরাসরি জয়ের স্বপ্ন দেখে বাংলা দল। ৪ উইকেট নেন শাহবাজ। জোড়া উইকেট শিকার করেন সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আকাশ দীপ, সুমন্ত গুপ্ত, অনুষ্টুপ মজুমদার। নীতীশ রেড্ডির ৯০ রানের ইনিংস কিছুটা লড়াই করলেও অন্ধ্র হার স্বীকার করতে বাধ্য হয়। অন্ধ্রর ইনিংস শেষ হয় ২৪৪ রানে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে সেমিফাইনাল। কল্যাণীতে বাংলা মুখোমুখি হবে জম্মু ও কাশ্মীরের।
