টাইব্রেকারে একের পর এক মিস! সন্তোষে সার্ভিসেসের কাছে হেরে কোয়ার্টারেই বিদায় বাংলার

0



নির্ধারিত সময়ের পর এক্সট্রা টাইম। তাতেও নরহরি, রবি হাঁসদারা গোলমুখ খুলতে পারলেন না। ফলাফল গোলশূন্য। অগত্যা, টাইব্রেকারে এসে স্বপ্নভঙ্গ। সন্তোষ ট্রফিতে সার্ভিসেসের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালেই এ বার বিদায় নিল গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল বাংলা।
টাইব্রেকারে ৩-২ ফলে জিতে শেষ হাসি হাসল সার্ভিসেস।টাইব্রেকারে প্রথম দু’টি শট মিস করেন চাকু মাণ্ডি ও করণ রাই। সার্ভিসেসের দু’টি পেনাল্টি বাঁচিয়ে জয়ের আশা জিইয়ে রেখেছিলেন বাংলার গোলকিপার গৌরব শা। যদিও শেষরক্ষা হয়নি। পঞ্চম শটে গোল করতে ব্যর্থ হন নরহরি শ্রেষ্ঠা। তাতেই বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠে সার্ভিসেস। মাথা নীচু হয় গতবারের সন্তোষ জয়ী কোচ সঞ্জয় সেনের।
৫ ম্যাচে অপরাজিত থেকেই সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টারে পৌঁছেছিল বাংলা দল। সার্ভিসেস চলতি সন্তোষ ট্রফিতে ছন্দে ছিল না। বলা যেতে পারে, পচা শামুকেই পা কাটা গেল সঞ্জয় সেনের ছেলেদের।
সন্তোষ ট্রফিতে বিতর্ক ছড়িয়েছিল টানা ম্যাচ খেলা নিয়ে। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালের আগে ৭২ ঘণ্টা সময় পাওয়া গিয়েছিল। তাতেই উজ্জীবিত ফুটবলের জায়গায় একাধিক ভুল করে বসলেন বাংলার ফুটবলাররা। একাধিক ভুল পাস তো ছিলই। সেইসঙ্গে ছিল সহজ সুযোগ নষ্ট। ভুল বোঝাবুঝিতে প্রথমার্ধেই জালে বল ঢোকায় সার্ভিসেস, তবে তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।সার্ভিসেসের ধারাবাহিক আক্রমণ সামলাতে হয়েছে বাংলার গোলকিপারকে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৩০মিনিটেও ডেডলক ভাঙতে ব্যর্থ গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। টাইব্রেকারের আগে গোলকিপার বদল করে বাংলা। সোমনাথের জায়গায় নামেন গৌরব। দুটো সেভ করেও বাংলাকে জয়ের মুখ দেখাতে পারলেন না তিনি।
অন্য ম্যাচে আয়োজক অসমকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে গতবারের রানার্স কেরালা।শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করেছে পঞ্জাব ও রেলওয়েজও।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *