হাড় কাঁপানো ঠান্ডা! গত এক যুগে কলকাতায় যা হয়নি, তাই হল! গ্রামাঞ্চলের অবস্থা আরও করুণ

0

উত্তুরে হাওয়ার দাপট। কাঁপছে দক্ষিণবঙ্গ।২০১৩ সালের পর জানুয়ারি মাসে এই প্রথম কলকাতায় এত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মঙ্গলবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৭ ডিগ্রি কম।এর আগে ২০১৩ সালে ৯ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ছিল ১০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।উল্লেখ্য, কলকাতায় এখনও পর্যন্ত সব থেকে কম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৮৯৯ সালের ২০ জানুয়ারি। সেদিন তাপমাত্রা ছিল ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েক দিনের তাপমাত্রা বিশেষ হেরফের হবে না।বরঞ্চ কমবে। 


পাহাড় থেকে সমতল, সারা রাজ্যেই কনকনে শীতের অনুভূতি। দক্ষিণবঙ্গে মঙ্গলবার থেকে কম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীনিকেতন এবং সিউড়িতে, ৬.২। স্বাভাবিকের থেকে প্রায় সাড়ে চার ডিগ্রি কম। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সমতলে সবথেকে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রায়গঞ্জে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে প্রায় চার ডিগ্রি কম। দার্জিলিং এলাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিনের মধ্যে তুষারপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও মালদা জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা ছিল।এ ছাড়া, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পঙে। জলপাইগুড়ির পারদ ছিল ৯ ডিগ্রিতে। মুর্শিদাবাদেও ৯ থেকে ১১ ডিগ্রির মধ্যে তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে। বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পুরুলিয়াতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


গত কয়েকদিন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছিল। তবে আপাতত ঝঞ্ঝার প্রভাব কেটে গিয়েছে। হু হু করে নামছে তাপমাত্রা।চলতি সপ্তাহে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আরও কয়েক ডিগ্রি পারদপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির সর্বোচ্চ থাকারই প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এই কয়েকদিনে। ফলে, শীতের এই স্পেল চলবে আরও কয়েকদিন। এরপর আবার গঙ্গাসাগর। সে’সময়ও প্রকোপ থাকবে উত্তুরে হাওয়ার।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *