বাংলার টপঅর্ডারে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরও সুদীপ ঘরামির লড়াকু সেঞ্চুরি যেন বেঁচে ওঠার লড়াই
রঞ্জির কোয়ার্টারের দ্বিতীয় দিনই প্রবল চাপের মুখে পড়ল বাংলা। সৌজন্যে ব্যাটিং ব্যর্থতা। খাদের কিনারা থেকেই নতুন করে স্বপ্ন দেখালেন সুদীপ ঘরামি। অপরাজিত ১১২ রান। সুদীপের দিকেই তাকিয়ে এখন বাংলা। আন্ধ্রা প্রদেশ তাদের প্রথম ইনিংস শেষ করে ২৯৫ রানে। প্রথম সেশনেই বোলাররা দাপটের সঙ্গে থামিয়ে দেয় আন্ধ্রার তিনশো প্লাস রান করার মিশন। দিনের শেষে বাংলার স্কোর ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৯। এখনও পিছনে ৯৬ রান।

শুক্রবার প্রথম দিনে আন্ধ্রার স্কোর ছিল ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬১। মাত্র ৩৪ রান তুলতেই দ্বিতীয় দিন বাকি ৪ উইকেটের পতন হয়।১০টি উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৫ উইকেট নেন। ২২ ওভারে তাঁর ৫ মেডেন, রান দিয়েছেন ৬৬। ২১.৪ ওভারে ৭৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন আর এক পেসার আকাশ দীপ। বাকি উইকেট প্রথম দিনই নিয়েছিলেন মহম্মদ শামি।
বোলাররা তাদের কাজ করলেও, রান তাড়া করতে নেমে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফের ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়ে বাংলা। বড় রান পাননি অভিমন্যু, অনুষ্টুপ, শাহবাজরা। তাতেই পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে।মাত্র এক রান করে আউট হন অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। আর এক ওপেনার সুদীপ চট্টোপাধ্যায় ফেরেন ১৩ রান করে। স্কোরবোর্ডে ৫০ রান তোলার আগেই তৃতীয় উইকেটও হারায় লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। অনুষ্টুপ মজুমদারও ফেরেন ৯ রান করে। এই অবস্থা থেকে সুরজ সিন্ধু জয়সওয়ালকে নিয়ে ভাঙন আটকানোর চেষ্টা করেন সুদীপ কুমার ঘরামি। ৭৯ বলে ২০ রান করে আউট হন সুরজ। এরপর শাহবাজ আহমেদও দাঁড়াতে পারেননি। ফিরে যান মাত্র ৫ রান করে। এরপর সুমন্ত গুপ্তকে নিয়ে ফের রান এগোনোর চেষ্টা করেন সুদীপ। পূর্ণ করেন নিজের সেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এই নিয়ে সাত নম্বর সেঞ্চুরি করেন সুদীপ। দিনের শেষে ১৫টি বাউন্ডারি মেরে ১৯১ রানে ১১২ করে অপরাজিত সুদীপ। অন্যদিকে সুমন্ত অপরাজিত ২২ রানে। আন্ধ্রা প্রদেশের রান টপকাতে সুদীপের চওড়া ব্যাটই এখন ভরসা বাংলার।
