হাঁটুজলে শুটিং করছিলেন রাহুল-শ্বেতা, ড্রোন শট চলাকালীন ঢেউ আসে…পরিচালক অমিতের কথায় উঠছে প্রশ্ন

0

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে ঘিরে ইতিমধ্যেই দানা বেঁধেছে অনেক প্রশ্ন। তবে মৃত্যুর আসল কারণ কী ? তা নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা। শুরুতে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে শুটিং শেষে অভিনেতার তালসারিতে সমুদ্রে তলিয়ে মৃত্যু হয়। কিন্তু সময় যত এগোচ্ছে খুলছে একের পর এক জট। শুটিং শেষে নয় বরং শুটিং চলাকালীনই ঘটছে এই মর্মান্তিক ঘটনা এমনটাই টলিউড ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন সূত্র থেকেও দাবি করা হয়েছে। টেলিভিশন পরিচালক অমিত দাসের মুখ থেকেও শোনা গেল সেই কথা। কী জানিয়েছেন তিনি

আডিশনের পক্ষ থেকে নেওয়া সাক্ষাৎকারে পরিচালক অমিত দাস জানিয়েছেন ,”আমি প্রথম খবরটা পাই রাজদার থেকে। বহু রাত্রি অবধি শুটিং করেছিলাম বলে ক্যাফেতে বসে কফি খাচ্ছিলাম তখন রাজদা ফোন করে জানায় এরকম একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তখন অনেককে ফোন করতে থাকি খবর নেওয়ার জন্য,কিন্তু সেই সময় কাওকে পাওয়া যায়নি।পরে খবর পাই সমুদ্রে ড্রোন শট চলছিল হাঁটু জলে শট দিচ্ছিল। সেইসময় একটি বড় ঢেউ আসলে শ্বেতা ও রাহুল দুজনেই পড়ে যায়। শ্বেতাকে টেকনিশিয়ানরা বাঁচিয়ে নিলেও রাহুল অনেকটা দূরে থাকায় তিনি ডুবে যান। ইউনিটের লোকজন সেখানে থাকায় তাকে বের করা হয় কিন্তু তার ৩-৪মিনিটের মধ্যেই তিনি মারা যান। ঘটনাটি খুবই অনিশ্চিত। প্রথমে মেনে নেওয়া যাচ্ছিল না। আমার সাথে রাহুলের বহুদিনের পরিচিতি। চিরদিনই তুমি যে আমার ছবির সময় থেকেই আমাদের একসঙ্গে কাজ। সেই সময় আমি তাঁর সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। কিছুদিন আগেও আমার সঙ্গে রাহুলের কথা হয়েছিল। কিন্তু এটাই যে শেষ কথা হবে, সেটা ভাবতেই পারিনি।”

তিনি জানিয়েছেন , “সকলকেই অনেক চাপের মধ্যে শুটিং করতে হয় এবং অনেক্ষেত্রেই বাইরের এলাকায় গিয়ে শুটিং করার প্রয়োজনীয়তা থাকে।কিন্তু তার জন্য নিরাপত্তার দরকার হয়। সকলের বাড়িতেই পরিবার রয়েছে,তারা অপেক্ষা করে সেই মানুষগুলোর জন্য। বিশেষ করে রাহুলের ছোট বাচ্চাটি সহজের কথা ভেবেই খারাপ লাগছে।”

রবিবার এই মর্মান্তিক ঘটনার পরেই রাহুলের দেহ নিয়ে আসা হয় তমলুক মেডিকেলে। ময়নাতদন্তের পর সোমবার দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে সহকর্মী ও বন্ধু-পরিজনেরা

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed