অভিষেকে ফ্লপ সোজবার্গ! জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও হার ইস্টবেঙ্গলের
তিন নম্বর ম্যাচেই হোঁচট। হ্যাটট্রিক জয় আর হল না ইস্টবেঙ্গলের। উল্টে, ১ গোলে এগিয়ে থেকেও ঘরের মাঠে ১-২ গোলে জামশেদপুরের কাছে পরাস্ত হল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম দু’ম্যাচে ৭ গোল দেওয়া লাল হলুদ ব্রিগেড, জামশেদপুর এফসির কাছে স্বপ্নপূরণ করতে ব্যর্থই। প্রাক্তনী মাদিহ তালাল-মেসি বাউলিদের দাপটে ঘরের মাঠে পরাস্ত হল অস্কার ব্রুজোর দল।

প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে বিপিন সিংয়ের মাইনাস থেকে বল পেয়ে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন এডমুন্ড লালরিনডিকা। জ্বলে উঠেছিল যেন যুবভারতী। কিন্তু কে জানত, শেষটা হবে মনখারাপের! ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ছবিটা পাল্টে যায়। ৬০ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান স্টিফেন এজে। আশা ছিল, অস্কার ব্রুজোর দল ঠিকই জালে বল জড়াতে পারবে। কিন্তু তা তো হয়নি, উল্টে, ৮৭ মিনিটে জামশেদপুরের হয়ে জয়সূচক গোল করেন রেই তাচিকাওয়া। মরিয়া চেষ্টা চালালেও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত আর সমতায় ফিরতে পারেনি লাল হলুদ। এই হারে তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এক ধাক্কায় তিন নম্বরে নামল অস্কার বাহিনী। তিনে তিন জয় নিয়ে শীর্ষে পৌঁছে গেল জামশেদপুর।

লাল হলুদ জার্সি পরে অভিষেক ম্যাচে নজর কাড়তে ব্যর্থ হন ডেনমার্কের অ্যান্টন সজবার্গ। এমনকি প্রথম দু’ম্যাচেই জোড়া গোল উপহার দিলেও, এদিন গোল পাননি ইউসেফ এজেজারিও। লাল হলুদ কোচ অস্কার এদিন গোলে প্রভসুখন গিলকে রেখে ডিফেন্স সাজান আনোয়ার আলি, লালচুংনুঙ্গা, জয় গুপ্তা ও জিকসন সিংকে দিয়ে। মাঝমাঠে রাখলেন মিগুয়েল ফেরেইরা, বিপিন সিং ও মহম্মদ রশিদকে। ফরোয়ার্ডে খেলালেন ইউসেফ এজেজ্জারি, লালরিন্ডিকা ও অভিষেককারী অ্যান্টন সজবার্গকে।এরপর কেরালা ব্লাস্টার্স ও এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। সেই ম্যাচগুলিও যে অত্যন্ত কঠিন হতে চলেছে অস্কার ব্রুজোর ছেলেদের, তা বলাই বাহুল্য।

