ইডেনে জিতে ইংল্যান্ড স্বস্তি, হ্যাটট্রিক জয়ে প্রথম সুপার এইটে প্রোটিয়ারা, আইরিশদের সর্বোচ্চ রান
তিনে তিন। প্রোটিয়ারা বিধ্বংসী মেজাজে টি২০ বিশ্বকাপে। কানাডা, আফগানিস্তানের পর এ বার নিউজিল্যান্ডকেও হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতে সবার প্রথম দেশ হিসেবে সুপার এইট খেলাও নিশ্চিত করে ফেলল।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অধিনায়ক এইডেন মার্করামের বিধ্বংসী ব্যাটিং আর মার্কো জানসেনের কেরিয়ারসেরা বোলিংয়ের ওপর ভর করে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় পেয়েছে প্রোটিয়ারা। প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে। জবাবে ১৭ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় প্রোটিয়ারা। ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই তাণ্ডব চালান দুই প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করাম ও কুইন্টন ডি কক। পাওয়ার প্লে-তে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ৮৩ রান তুলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজেদের অন্যতম সেরা সূচনা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মার্করাম, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম ফিফটির নতুন রেকর্ড। শেষ পর্যন্ত ৮ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো ৪৪ বলে ৮৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪০ রানে ৪ উইকেট নেন মার্কো জানসেন, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার কেরিয়ারসেরা বোলিং।

অন্যদিকে ইডেনে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে স্বস্তি পেল ইংল্যান্ড। ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখল ইংল্যান্ড। জেতার জন্য ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ১৫৩। তাতেই ২১ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ব্রিটিশরা। কিন্তু টম ব্যান্টনের ব্যাটে একেবারে হেসেখেলে জিতেছে ব্রিটিশরা ৫ উইকেট হাতে রেখে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩০ রানের হারের পর জয়ের ধারায় ফিরল হ্যারি ব্রুকের দল। আর তৃতীয় ম্যাচে স্কটিশদের দ্বিতীয় হার এটা। চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন ব্যান্টন। এর আগে, স্কটল্যান্ডের ৭ ব্যাটারই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘরের রান। এরপরও দল পেরোয়১৫০। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২ বল আগে ১৫২ রানে অলআউট হয়ে যায় স্কটল্যান্ড। বল হাতে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন আদিল রশিদ।

আর এক খেলায় ওমানকে পেয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের টুর্নামেন্টে রানের পাহাড় তৈরি করে আয়ারল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করে আইরিশরা। যা এ বারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। বিশাল স্কোর গড়লেও আয়ারল্যান্ডের কোনো ব্যাটর সেঞ্চুরি করতে পারেনি। লরকান টাকার সর্বোচ্চ ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৫১ বলে খেলা তার এই ইনিংসে ১০টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কার মার মারেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করে আয়ারল্যান্ড। জবাবে ওমান ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায়। আয়ারল্যান্ড জেতে ৯৬ রানে।

