একটা হারেই পথ গেছে বেঁকে… দক্ষিণ আফ্রিকাই হারিয়েছে ভারতকে, প্রোটিয়ারাই তুলতে পারে সেমিতে
একটা হার। তাতেই পথ গেছে বেঁকে…। কঠিন থেকে কঠিনতর অঙ্ক মাঠের বাইরে। সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই বড় ব্যবধানে হেরেছেন সূর্যকুমাররা, এখন সেই দক্ষিণ আফ্রিকাই যেন বাঁচাতে পারে টিম ইন্ডিয়াকে, অঙ্ক ঠিক এমনই।

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের ব্যবধানে হেরেছে টিম ইন্ডিয়া। এরপর আবার জিম্বাবোয়ে ১০৭ রানের ব্যবধানে হেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। তাতেই অঙ্ক মেলার সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে গেছে সূর্যকুমারদের।সেখানে রানরেটের কোনো হিসেব-নিকেশ এখানে আর কাজ আসছে না।কারণ তাতে ভারতকে নিজেদের ৭৬ রানের হার ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১০৭ রান- অর্থাৎ ১৮২ রানের ব্যবধান ঘোচাতে হবে, যা অসম্ভব। তাহলে? অতএব এখন স্রেফ একটাই পথ খোলা আছে ভারতের সামনে। আগামী দুই ম্যাচ প্রথমত জিততেই হবে। এরপর প্রার্থনা করতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই দুই দলের একটি যেন পরবর্তী দুই ম্যাচই হারে। তাও কি সম্ভব? কারণ, দক্ষিণ আফ্রিকা জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খাতায়-কলমে ফেভারিট হয়েই নামবে। তাহলে একমাত্র ভারতের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার তিন জয়, ও নিজেদের দুই জয়ের সমীকরণ মেলাতে পারলে। কারণ, সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা হারালে ২ পয়েন্টেই থাকবে। ভারত জিম্বাবোয়েকে হারালেও সরাসরি ২ জয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছবে। কিন্তু ভারত ২ ম্যাচ জিতলেও, যদি জিম্বাবোয়েকে হারিয়েও, দক্ষিণ আফ্রিকা হেরে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে, তাহলে সমান চার পয়েন্ট হবে ৩ দলের।সেক্ষেত্রে রানরেট বিচার হবে।

এত সমীকরণের পরও ভারতকে এখনই বাতিলের খাতায় রাখতে চান না মাইকেল ক্লার্ক।পডকাস্টে ক্লার্ক বলেন, ‘ভারত সেমিফাইনালে যেতে না পারলে একজন ভক্ত হিসেবে আপনি অবশ্যই ভীষণ রাগ করবেন এবং অবাক হবেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তারা দুর্দান্ত একটা দল। এই মুহূর্তে এই সংস্করণে বিশ্বের সেরা দল। বিশ্বকাপে তারা চেনা কন্ডিশনেই খেলছে। এখনই ভারতকে বাতিলের খাতায় ফেলব চাই না। তারা শুধু সেমিফাইনাল নয়, ফাইনালেও খেলবে। আর কেউ যদি এটা না ভাবে সেটা বোকামি হবে’। আগামী বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদে দুপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একই দিন সন্ধ্যের ম্যাচে জিম্বাবোয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।

