বনগাঁয় ভরামঞ্চে হেনস্থার শিকার মিমি চক্রবর্তী, অভিযোগ দায়ের থানায়
সপ্তাহের শুরুতেই ধুন্ধুমার কাণ্ড। বনগাঁয় অনুষ্ঠান করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। পুলিশের দ্বারস্থ হন নায়িকা। এই প্রথম নয়। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। কিছু দিন আগে এমনই অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিক। সেখানে হেনস্থা হতে হয়েছিল তাঁকে। তার পরে গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সঙ্গেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। এ বার সেই তালিকায় জুড়ল মিমির নামও।

নায়িকা বলেন, “এই ধরনের ব্যবহার এই প্রথম পেলাম। মঞ্চে যে সমস্ত শিল্পী অনুষ্ঠান করতে যান, তাঁদের আজকাল যেন লোকে তাঁদের ‘সম্পত্তি’ ভাবা শুরু করেছেন! তনয় শাস্ত্রী নামের জনৈক ব্যক্তি আচমকা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। আমাকে বলেন, ‘আপনি চলে যান’! আমি এতটাই হকচকিয়ে গিয়েছিলাম, যে প্রথমে বুঝতেই পারিনি, আমাকে বলা হচ্ছে।” এই সময়টা টলিপাড়ার অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীই শহরতলি, গ্রামাঞ্চলে অনুষ্ঠান করতে যান। তেমনই সেই দিন বনগাঁয় গিয়েছিলেন মিমি।

উদ্যোক্তা নয়াগোপাল গুঞ্জ যুবক সঙ্ঘ ক্লাব। রাত পৌনে বারোটায় স্টেজে উঠেছিলেন অভিনেত্রী। অভিযোগ, অনুষ্ঠানের মাঝেই তনয় শাস্ত্রী নামে এক ব্যক্তি স্টেজে উঠে পড়েন। মিমির গানের মাঝে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মিমিকে তিনি মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলেন। তাতে অপমানিত বোধ করেন মিমি। অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী ক্লাবেরই কর্মকর্তা বলে জানা গিয়েছে। বনগাঁ থানায় এফআইআর দায়ের করেন মিমি। আয়োজকদের পাল্টা দাবি অনুষ্ঠান করার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার জন্যই মিমিকে নেমে যেতে বলা হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে কোনও দুর্ব্যবহার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আয়োজকরা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

শুধু মিমি নয়, কয়েক দিন আগে বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়ের সঙ্গেও এমনই এক ঘটনা ঘটে। কোনও এক অনুষ্ঠান করতে গিয়ে এক ব্যক্তি হঠাৎই গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রকাশ্যেই নিজের বিরক্তি উগরে দেন অভিনেত্রী। একের পর এক এই ঘটনা প্রশ্ন উঠছে নায়ক-নায়িকাদের নিরাপত্তা নিয়ে।
