১৪ বছর পর আইপিএলের প্রথম ম্যাচে জয় মুম্বইয়ের, ক্যাচ মিসের বহরে প্রথম ম্যাচেই কেকে-হার

0

মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আইপিএল ২০২৬-এর দ্বিতীয় ম্যাচেই দেখা গেল এক রোমাঞ্চকর লড়াই। পাহাড়প্রমাণ ২২০ রান তুলেও শেষরক্ষা হল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের। রোহিত শর্মার বিস্ফোরক ইনিংসে ভর করে ১৯.১ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৩ রান তুলে ম্যাচ জিতে নিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হার্দিক পান্ডিয়া। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। ফিন অ্যালেনের সঙ্গে প্রথম উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়ে তোলেন তিনি। অ্যালেন ১৭ বলে ৩৭ রান করে ফিরলেও রাহানের ব্যাট চলতে থাকে। ৪০ বলে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি।

মাঝে রঘুবংশীর ঝড়ো ২৯ বলে ৫১ এবং রিঙ্কু সিংয়ের ২১ বলে অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২০ রান তোলে কলকাতা। মুম্বইয়ের হয়ে শার্দুল ঠাকুর ৩টি এবং হার্দিক পান্ডিয়া ১টি উইকেট নেন।

২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলে মুম্বই। অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং রায়ান রিকেলটনের ব্যাটে ওয়াংখেড়ে সাক্ষী থাকে এক বিধ্বংসী ওপেনিং জুটির। প্রথম উইকেটেই ১৪৮ রান যোগ করে ম্যাচ কার্যত মুঠোয় নিয়ে নেন দুই ওপেনার।

রোহিত ৩৮ বলে ৭৮ রান করে আউট হলেও ততক্ষণে ম্যাচ মুম্বইয়ের দখলে। রিকেলটন ৮১ রান করে রান আউট হন, যদিও নিশ্চিত শতরান হাতছাড়া করেন। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নেমে সূর্যকুমার যাদব ৮ বলে ১৬ রানের ক্যামিও খেলেন।
কলকাতার ফিল্ডিংয়ের ভুলও বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। রিকেলটনের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন রমনদীপ ও বৈভব। সেই সুযোগের পুরো ফায়দা তোলে মুম্বই। শেষ পর্যন্ত পাঁচ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে তারা।
এই জয়ের সঙ্গে একাধিক রেকর্ড গড়ে ফেলল মুম্বই। ২২০ রান তাড়া করে আইপিএলে এই প্রথম জয়, পাশাপাশি ২০১২ সালের পর প্রথমবার মরশুমের উদ্বোধনী ম্যাচ জিতল তারা।
অন্যদিকে, কলকাতার কাছে আবারও দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠলেন রোহিত শর্মা। কেকেআরের বিরুদ্ধে হাজার রানের মাইলফলকও ছাড়িয়ে গেলেন ‘হিটম্যান’। সময় বদলালেও, কলকাতার বিরুদ্ধে রোহিতের আধিপত্য একই রয়ে গেল।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *