প্রেম চোপড়ার ঠিক কী হয়েছিল জানালেন জামাই, এখন কেমন আছেন বলিউডের বর্ষীয়ান ‘ভিলেন’
এক সময়ের বলিউডের ভিলেন প্রেম চোপড়া। শারীরিক পরিস্থিতি যা, তাতে তাঁকে নিয়েও আশা-আশঙ্কার দোলাচলে ভুগছেন অনুরাগীরা। গত নভেম্বরেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা। ৯০ পেরোনো অভিনেতা এরপর সুস্থ হয়ে বাড়িও ফেরেন।ঠিক কী হয়েছিল তা জানা গেল কয়েক সপ্তাহ পর।সম্প্রতি প্রেম চোপড়ার হৃদযন্ত্রের ভালভের অস্ত্রোপচার হয়েছে। বিশেষ একটি চিকিৎসা পদ্ধতিতে ‘ওপেন-হার্ট সার্জারি’ ছাড়াই তার ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তাঁর জামাই বলিউড অভিনেতা শরমন জোশী।
শরমন জানান, প্রেম চোপড়ার ‘ট্রান্সক্যাথেটার অ্যাওর্টিক ভালভ ইমপ্লান্টেশন’ (টাভি) করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে বুক চিরে অপারেশন করার প্রয়োজন হয় না। তিনি লেখেন, বাবার গুরুতর অর্টিক স্টেনোসিস ধরা পড়েছিল। চিকিৎসকেরা সফলভাবে টাভি পদ্ধতিতে পুরো অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছেন। ওপেন-হার্ট সার্জারি ছাড়াই ভালভ প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়েছে। প্রতিটি ধাপে চিকিৎসক গোখলের দিকনির্দেশনা আমাদের পরিবারকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তাদের দক্ষতার কারণেই পুরো প্রক্রিয়া মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো জটিলতাও দেখা দেয়নি।
শরমন জোশী জানিয়েছেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। আগের তুলনায় অনেকটা ভাল আছেন। বাড়িতেই আছেন। শরমন লিখেছেন, ‘‘হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নীতিন গোখলে এবং ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডাক্তার রবীন্দ্র সিং রাওয়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বাবার খুব ভালো চিকিৎসা করেছেন তাঁরা। তাঁদের জন্যই আমরা আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। বাবা এখন বাড়ি ফিরে এসেছেন এবং এখন আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ।’’
উল্লেখ্য, প্রেম চোপড়া ‘অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস’ নামক এক ধরনের হৃদরোগে ভুগছিলেন, যাকে ‘ভালভুলার হার্ট ডিজিজ’ও বলা হয়। এই রোগে অ্যাওর্টিক ভালভ সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে হৃদপিণ্ডের ভালভ সরু হয়ে যায় এবং ঠিকমতো খুলতে পারে না। ফলস্বরূপ, হৃদপিণ্ড থেকে শরীরের অন্যান্য অংশে রক্তপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই ধরনের সমস্যায় রোগীর শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা এবং কখনও কখনও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
