সুপার এইটেই থামল লঙ্কাবাহিনীর দৌড়, সেমির স্বপ্ন বাড়ল নিউজিল্যান্ডের

0

ম্যাচ শেষ হয়নি, তার আগেই স্টেডিয়াম ফাঁকা! হবে নাই বা কেন, কে আর ঘরের মাঠে বসে বসে নিজেদের হার দেখতে চায়! বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক শ্রীলঙ্কা এ বারের মতো অভিযান শেষ করল। সুপার এইটে প্রথম দু’ম্যাচে হার স্বপ্ন ভেঙে দিল লঙ্কাবাহিনীর।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রান তাড়া করতে গিয়ে একেবারে মুখ থুবড়েই যেন পড়ল লঙ্কাবাহিনী। কিউয়িদের ৭ উইকেটে ১৬৮ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা থামল ৮ উইকেটে ১০৭ রানে। ৬১ রানে জিতে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল।
অথচ বল হাতে কিউয়িদের দারুণ চাপেই রেখেছিল লঙ্কাবাহিনী। ৮৪ রানেই নিউজিল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল তারা। তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেছেন দুই অলরাউন্ডার ম্যাকনকি ও স্যান্টনার। ৪৭ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়েছেন এই দুজন। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে স্যান্টনার করেছেন ২৬ বলে ৪৭ রান। ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ম্যাকনকি। তার আগে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ইতিবাচক ব্যাট করতে থাকেন রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস। দুজন মিলে গড়েন ৪৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর রানের গতি মন্থর হয়ে যায়। ১২ থেকে ১৬ ওভার পর্যন্ত এই ৫ ওভারে রান আসে মাত্র ১৫ রান। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্যরানে আউট হন। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা। একটি উইকেট পেয়েছেন দুনিথ ভেল্লালাগে।
রান তাড়া করতে নেমে কিউয়ি বোলিং-এর সামনে কার্যত নাকানিচোবানি খায় শ্রীলঙ্কা। ম্যাট হেনরির প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান পাতুম নিশাঙ্কা। প্রথম ৬ ওভারে শ্রীলঙ্কা রান তোলে মাত্র ২০ রান তুলতেই হারায় ২ উইকেট। সেখানেই শেষ নয়, ৮.২ ওভারে মাত্র ২৯ রান তুলতে উইকেট হারায় ৪টি। ১৪ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার রান ৬ উইকেটে ৭১। ৬ ওভারে দলটির দরকার ৯৮ রান। যা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।  উইকেটকিপার-ব্যাটার তথা দলের আরেক ওপেনার কুশল মেন্ডিস করেন মাত্র ১১ রান। পাশাপাশি চারিথ আসালাঙ্কার সংগ্রহে ৫ রান, পবন রথনায়েক ১০, কামিন্দু মেন্ডিস ৩১, এবং অধিনায়ক দাসুন শানাকা মাত্র ৩ রান যোগ করেন। দুনিথ ওয়েল্লালাগে করেন ২৯ রান এবং দুশমান্থা চামিরা ৭ রান করে আউট হন। মাহিশ থিকাশানা মাত্র ১ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে, ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান তুলতে পারে শ্রীলঙ্কা। বল হাতে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র। এই জয়ে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়নি। তাদের পরের ম্যাচ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *