পদ্মশ্রী সম্মান পেলেন প্রসেনজিৎ, মুম্বই থেকে নাতি তৃষানজিতের কাঁধে কী দায়িত্ব দিলেন বিশ্বজিৎ?
টলিপাডায় প্রায় কয়েক যুগ কেটে গিয়েছে তাঁর। অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মুকুটে নতুন পালক। পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত অভিনেতা৷ এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই চারিদিকে শুভেচ্ছার বন্যা। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে রবিবার বিকালে ঘোষিত হল এই সুখবর। সাহিত্য, শিল্প, খেলা, চিকিৎসা, কৃষিকাজ— নানা পেশার মানুষকেই পদ্মসম্মান দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশ থেকে মোট ১৩১ জনের নাম রয়েছে তালিকায়।

এই সম্মান পাওয়ার পরে খুবই আনন্দিত নায়ক। সেই সঙ্গে জানালেন আরও দুজন মানুষ একই ভাবে উত্তেজিত এই খবর শুনে। প্রসেনজিৎ বলেন, “একটি লাইভ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠেছি। তার পরেই একে একে ফোন আসতে শুরু করেছে। আমাকে যাঁরা ভালবাসেন সবাই শুভেচ্ছা জানিয়েছে। এই দিন সবচেয়ে বেশি আনন্দিত আমার বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় আর আমার ছেলে।”

সুখবর আসতে ছেলে বুম্বাকে ফোন করেন প্রবীণ অভিনেতা৷ প্রসেনজিৎ যোগ করেন, “মুম্বই বসে আছেন শ্রী বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। উনি বললেন এই চ্যাটার্জি পরিবারে এই সম্মান এল। এ বার আমার ছেলেকে বলব ও এই ঐতিহ্য যেন এগিয়ে নিয়ে যায়।” সম্মান পেয়ে নিজের অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানাতে ভুললেন না নায়ক।
এই মুহূর্তে প্রসেনজিৎ ব্যস্ত তাঁর নতুন ছবি ‘বিজয়নগরের হীরে’ ছবির প্রচারে। প্রায় ৪০ বছরের অভিনয়জীবন তাঁর।
তখন তাঁর বয়স মাত্র ছয়, প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। ষাটের দশকে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’-তে শিশু শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তার পর আশির দশক থেকে সিনেমায় কাজ শুরু। ১৯৮৭ সালে ‘অমর সঙ্গী’ ছবির মাধ্যমে সেই অর্থে নায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু। দীর্ঘ ছয় দশক ধরে তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন। যদিও কেরিয়ারের শুরু সময় থেকে বলিউডে প্রস্তাব পেয়েছিলেন।অভিনেতার দাবি, তিনি বাংলা ছেড়ে যেতে চাননি। ২০১২ সালে ‘সাংহাই’ ছবির মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর বলিউড সফর। এই মুহূর্তে বলিউড টলিউড দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সমান তালে কাজ করছেন।
