শাস্তির কথা না ভেবেই ‘বিদ্রোহ’ বাংলাদেশের, বিশ্বকাপে ভারতে আসবে না, আইপিএল সম্প্রচারও বন্ধ
ভারত-কে ফাঁপড়ে ফেলতে চেয়েছে বাংলাদেশ। উল্টে তারা যে বিপদ ডেকে আনছে তা বোধগম্য হয়নি। মুস্তাফিজুরকে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কেকেআর বাদ দেওয়ায় বিতর্কের ঝড় বইছে যেন বাংলাদেশে। আগের দিনই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে, তারা বিশ্বকাপ টি২০ খেলতে ভারতে আসবে না। একদিন পর ইউনূস সরকার জানিয়ে দিল, বাংলাদেশে আইপিএলের কোনও কিছু সম্প্রচার হবে না। আইপিএলের সম্প্রচার বাংলাদেশে হোক না হোক, তার প্রভাব ভারতে পড়বে না। কিন্তু বাংলাদেশ শেষমেষ বিশ্বকাপ খেলতে না এলে তার প্রভাব পড়বে আইসিসিতে। যে আইসিসির মাথায় আবার ভারতেরই জয় শাহ রয়েছেন। ফলে, বাংলাদেশের অনুকূলে যে কিছুই যাবে না তা বোধগম্য হয়নি বাংলাদেশের।
কোনওকিছু না ভেবেই ভারতের ক্রিকেটের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। মঙ্গলবার সে’দেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)-এর সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেও জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।
কিন্তু শুধু আইপিএলই নয়, বিশ্বকাপে না খেলতে আসার বায়না ভালভাবে দেখছে না আইসিসি। যা পরিস্থিতি তাতে জেদ বজায় রাখলে নির্বাসিতও হতে পারে বাংলাদেশ। আইসিসি পুরো ঘটনায় নজর রাখছে। পরিস্থিতি মেনে বিভিন্ন বিষয় খতিয়েও দেখছে। তাতে আইসিসি নরম মনোভাবাপন্ন হলে ভারতে বাংলাদেশের ম্যাচ না করে, তা শ্রীলঙ্কায় সরাতে পারে। না হলে, ওয়াকওভার পেতে পারে বিপক্ষ দেশ। অথবা বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে অন্য দেশকে সুযোগ দিতে পারে শেষমুহূর্তে। সেক্ষেত্রে নির্বাসনের খাঁড়াও নেবে আসবে বাংলাদেশের ওপর। যদিও জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসি এখনও সরকারিভাবে কোনো কিছু ঘোষণা করেনি।
