কর্মীদের ভোকাল টনিক দিয়েই ছুটলেন নিজের কাউন্টিং কেন্দ্রে! ব্যবধান কমছে! রক্ষা হবে মমতার ভবানীপুর?
হাওয়া বুঝে রাজ্য জুড়েই শুরু হয়েছে গেরুয়া আবিরের খেলা। ১৯৪ টি আসন গ্রহণ করে লিডে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাৎ বিজেপি। তবে বলা হচ্ছে এবারের নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূলের হলেও, আসল লড়াই জনতা ভার্সেস মমতার। চলছে ভোট গণনা। বেশিরভাগ জায়গায় এখনও পর্যন্ত এগিয়ে বিজেপি। দুপুর গড়াতেই নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের কাউন্টিং কেন্দ্রে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১২ রাউন্ড গণনা শেষ হতেই সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয় তৃণমূলের এজেন্টকে, এমন খবর পেতেই আর অপেক্ষা করেননি। ১২ রাউন্ড শেষে মমতা মাত্র ৭ হাজারের কিছু বেশি ভোটে এগিয়ে। শেষরক্ষা করতে পারবেন কিনা তাই এখন দেখার।
এর আগে গেরুয়া হাওয়া উঠতেই সমর্থক-কর্মীদের ভোকাল টনিক দিয়েছিলেন তিনি। সমাজ মাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্টের মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, ‘ক্যান্ডিডেটরা ও এজেন্টরা এলাকা ছেড়ে আসবেন না। স্ট্রং রুম, যেখানে কাউন্টিং হচ্ছে, সেটা ছেড়ে কেউ আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আগেই বলেছিলাম, প্রথম ২-৩ রাউন্ডে ওদেরগুলো আগে দেখাবে। ১০০টা জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। সেন্ট্রাল ফোর্সকে দিয়ে চারদিকে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে, অফিস ভাঙছে।’
এসআইআর নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিদায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বহু ভোটারের নাম নাকি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে,বিশেষ করে যেখানে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা বেশি ছিল। তাঁর এই অভিযোগে আবারও বোঝা গেল, ফলাফল মনমতো না হলেই গোটা প্রক্রিয়াকেই কাঠগড়ায় তোলার পুরনো কৌশলেই ভরসা রাখছেন তিনি।এদিকে তিনি আরও বলেন, এখনও ৭০ থেকে ১০০টি আসনে তৃণমূল এগিয়ে, কিন্তু সেই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না।পুরোটাই নাকি ‘পরিকল্পিত’।
কিন্তু হাওয়া বয়েছে উল্টো স্রোতেই। নিজের গড় সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন মমতা।
