‘পদ্মশ্রী-টদ্মশ্রী’ বিতর্ক! নিন্দককে বুড়ো আঙুল, ভাই দেবকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন প্রসেনজিৎ
এমনিই?
মন ভোলানো হাসি। তাতেই মন গলল প্রসেনজিতের। ইম্পার বৈঠকে সুপারস্টার দেবের প্রসেনজিতের উদ্দেশ্যে তীর্যক মন্তব্য তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। বিতর্কের শুরু সেখান থেকেই। ক্ষতে প্রলেপ দিতেই কি শুক্রবার দেব ছুটে গেলেন পদ্মশ্রী প্রাপক অভিনেতা প্রসেনজিতের বাড়ি! তারকার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে অবশ্য লিখলেন, ‘এমনি’!

বুধবার ইম্পার স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠক বসেছিল ছবি মুক্তি ক্যালেন্ডার তৈরি করতে। আর সেখানেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে পদ্মশ্রী সম্মানের জন্য সংবর্ধিত করা হয়। যেখানে জিতকে দেখা যায় প্রসেনজিতের সঙ্গে আলিঙ্গনে। সেই বৈঠকে আসেন দেব-ও। সেখানেই বৈঠকে আলোচনার সময় প্রসেনজিৎ দেবের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আমরা স্ক্রিনিং কমিটি করেছি। তোর সঙ্গে মাননীয়ার যোগাযোগ রয়েছে। ওনাকে একবার জানিয়ে রাখিস।’ উত্তরে দেব বলেন, ‘তোমার তো ছবি হিট হয়েছে। তার উপর তুমি আবার পদ্মশ্রী-টদ্মশ্রী পেয়েছ। তোমার কথা তো শুনতেই হবে!’ একজন সাংসদ ও শিল্পীর মুখে পদ্ম সম্মানের প্রতি এমন ‘অসম্মানজনক’ শব্দ প্রয়োগে উপস্থিত সকলেই বিস্মিত ও হতভম্ব হয়ে যান। দেব বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মিটিং নিয়ে বলার জন্য অনেক বড় বড় মাথা আছেন, ওরাই বলবেন।’
এই নিয়ে বিতর্ক যখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল, তখন ভুল বোঝাবুঝির অবসানটা ঘটাতে উদ্যোগটা নিলেন দেব। যান বুম্বাদার বাড়ি।একসঙ্গে হাসিমুখে ছবিও তোলেন। ইন্ডাস্ট্রি মনে করছে, এরপর আর এই নিয়ে মান-অভিমান, ক্ষোভ, অসন্তোষ আর থাকবে না। কারণ, দেবের পোস্ট শেয়ার করে প্রসেনজিৎ লিখলেন, ‘তুই এলি, কথা বললি, ভালো লাগল। নিজের খারাপ লাগাগুলোকে সরিয়ে বাড়ির ভুল বোঝাবুঝিগুলোকে সামলানোটাই মনে হয় বড়দের কাজ। ভালো থাক। আদর’।

এ দিন ‘বিজয়নগরের হিরে’ ছবির বিশেষ পার্টিতেও পাশাপাশি দেখা গেল দুজনকে। দেব বললেন, “যাই হয়ে যাক আমার সঙ্গে বুম্বাদার কিছু হবে না।” সেই পার্টিতেও দেখা গেল পরম আদরে প্রসেনজিতের পকেটের রুমাল ঠিক করে দিচ্ছেন দেব৷
উল্লেখ্য, কিছু দিন আগে দেব জানিয়েছিলেন আগামী ছবি ‘দেশু ৭’-এ অভিনয় করার জন্য নাকি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। এমনটাই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন দেব। তা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়েছে কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি।
