এমসিজিতে ২ দিনেই খেলখতম! পিচ নিয়ে খুশি হতে পারল না আইসিসি, বলল, ‘অসন্তোষজনক’
প্রথম দিনে ২০ উইকেট, দ্বিতীয় দিনে ১৬ উইকেটের পতন। এমসিজিতে বক্সিং ডে টেস্টের খেলা দেখতে গিয়ে দু’দিনে যতই উত্তেজনা ছড়াক না কেন, আইসিসি খুশি হতে পারেনি এমন পিচ নিয়ে। মেলবোর্নের বাইশ গজকে ‘অসন্তোষজনক’ বলে অভিহিত করল আইসিসি।একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যুক্ত হল এমসিজি’র নামের পাশে।
এই ম্যাচের পরই আইসিসি’র দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে সরব হন ভারতের প্রা্ক্তন ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর। তাঁর কলমে তীর্যকভাবে তিনি লেখেন, ‘ভারতীয় গ্রাউন্ডসম্যানদের এমনভাবে দেখানো হয় যেন তারা ব্যাটারদের রানই করতে দিতে চান না, যেখানে বিদেশীরা পিচের ক্ষেত্রে ভুল করা মানবিক।’ পিচ নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল বিভিন্ন মহলেও। ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস বলেন, এই পিচ ক্রিকেটের জন্য মোটেও আদর্শ নয়।এমনকি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একে ব্যবসার জন্যও ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) ক্রিকেট বিষয়ক প্রধান জেমস অলসপ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের টিকিট কাটা দর্শক এবং অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্বজুড়ে ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় থাকা কোটি ভক্তের জন্য আমরা হতাশ। এই পিচ ব্যাট ও বলের মধ্যে এমসিজির স্বাভাবিক ভারসাম্য দিতে পারেনি।’ উইকেটের এমন আচরণের পর আইসিসি যে শাস্তি দেবে সেটা অবধারিতই মনে হয়েছিল। শেষপর্যন্ত আইসিসিও মত জানিয়ে দিল।আইসিসির চার স্তরের পিচ রেটিং পদ্ধতির তালিকায় তিন নম্বরে ‘অসন্তোষজনক’, ‘যে পিচে ব্যাট ও বলের সমান লড়াই হয় না… বোলারদের মাত্রাতিরিক্ত সুবিধা দেয়, সিম কিংবা স্পিনে অনেক বেশি উইকেট নেওয়ার সুযোগ থাকে।’ অথচ আগের তিন বক্সিং ডে টেস্টে এই পিচের রেটিং ছিল সর্বোচ্চ- ‘খুব ভালো’।
এই ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জেতে। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে অজিরা এরমধ্যে অ্যাশেজ সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলেছে। সিডনিতে আগামী ৪ জানুয়ারি হবে শেষ ম্যাচ।
