বাংলার থেকে প্রসেনজিৎ ছাড়াও যাঁরা যাঁরা এ বার পেলেন পদ্মশ্রী, দেখে নিন তালিকা
বাংলা থেকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ই নন, ১১৩ জন পদ্মশ্রী প্রাপকের মধ্যে ১১ জন বাংলার। বিভিন্ন রাজ্যের ১৯ জন মহিলা পদ্মশ্রী প্রাপকের মধ্যে একজন বাংলার।
২০২৬ সালের জন্য মোট ১৩১টি পদ্ম পুরস্কার অনুমোদন করেছেন। এই তালিকায় পাঁচটি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী পুরস্কার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মোট ১৯ জন মহিলাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
বাংলার উল্লেখযোগ্য পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি যেমন রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের স্বনামধন্য তবলা বাদক ও সুরকার শ্রী কুমার বোস, সন্তুর বাদক পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য, যিনি ‘মানকাস’ বা ফাইন টিউনার আবিষ্কার করেছেন।
রাজ্যের অন্যান্য পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন মালদার লেখক ও শিক্ষাবিদ অশোক কুমার হালদার। আরেকজন পদ্মশ্রী প্রাপক হলেন গম্ভীর সিং ইয়োনজন, যিনি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ যিনি দার্জিলিং পাহাড়ের অনগ্রসর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের উন্নয়ন, সেইসাথে শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সমাজসেবার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। পদ্মশ্রী পেয়েছেন
উত্তরবঙ্গ অঞ্চলের একজন নাট্য ব্যক্তিত্ব এবং নাট্যকার হরিমাদব মুখোপাধ্যায় এ বছর মরণোত্তর পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনার বাসিন্দা জ্যোতিষ দেবনাথ মিহি মসলিন জামদানি বুননে তাঁর অসাধারণ দক্ষতার জন্য পরিচিত। শুধুমাত্র হাতে বোনা সুতো ব্যবহার করে এই শিল্পকর্মে তাঁর অনন্য দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ বছর পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের আরেকজন শিক্ষাবিদ, আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য ডঃ মহেন্দ্র নাথ রায়কেও (মাটিগাড়া, দার্জিলিং জেলা) পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
বর্ধমান জেলার সাঁওতালি ভাষার লেখক রবিলাল টুডু, যিনি ২০১৫ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন, তাঁকেও এ বছর পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
কলকাতার একটি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ সরোজ মণ্ডলও এ বছর পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন। বীরভূমের কাঁথা শিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়, যিনি বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে ২০,০০০-এরও বেশি স্থানীয় মহিলাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন—তাঁকেও এ বছর পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
