‘আমি এতটা ছোট মনের মানুষ নই’,বিজয় বিতর্কে বিস্ফোরক রজনীকান্ত
বর্তমানে তামিলনাড়ুতে চর্চার কেন্দ্রে থলপতি বিজয়।অভিনেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তাঁকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। আর সেই আবহেই এবার মুখ খুললেন দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত। সম্প্রতি, তামিলনাড়ুর নিবার্চনের পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করেন রজনীকান্ত।জল্পনা ছিল, বিজয়- এর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্যই বা তাকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থেকে আটকাতেই কি তাহলে তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন? সেই জল্পনা উড়িয়েই মুখ খুললেন অভিনেতা।
সূত্রের খবর, রবিবার নিজের পয়েস গার্ডেনের বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রজনীকান্ত। সেখানে তিনি জানান, স্ট্যালিন-এর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শুধুমাত্র বন্ধুর মতোই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি।রজনীকান্ত বলেন, “স্ট্যালিন গত ৩৮-৪০ বছরের বন্ধু। আমাদের সম্পর্ক রাজনীতির ঊর্ধ্বে।গণতন্ত্রে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক।নির্বাচনে ওর হার দেখে খারাপ লেগেছিল বলেই বন্ধুর মতো দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ কেউ বলতে শুরু করেন, বিজয়-কে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থেকে আটকানোর পরিকল্পনা করতে গিয়েছিলাম। আমি এতটা ছোট মনের মানুষ নই।”
তিনি আরও জানান, বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাননি এমন অভিযোগও সম্পূর্ণ ভুল। অভিনেতার কথায়, “ফল প্রকাশের পরই আমি তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। আমি এখন রাজনীতিতে নেই, রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। তাহলে আমি কেন ওর প্রতি ঈর্ষান্বিত হব?”শুধু তাই নয়, বিজয়ের রাজনৈতিক উত্থানের প্রশংসাও করেন তিনি। অভিনেতার মতে, “মাত্র ৫২ বছর বয়সে বিজয় যা অর্জন করেছে, তা একসময় এম জি আর বা এনটিআর-ও করতে পারেননি। চলচ্চিত্র জগৎ থেকে এসে একাই শক্তিশালী দলগুলিকে হারিয়ে সরকার গঠন করেছে। আমার মধ্যে ঈর্ষা নেই, বরং বিস্ময় আর আনন্দ রয়েছে।মানুষ ওর কাছে অনেক আশা রাখে, আমি বিশ্বাস করি বিজয় সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে।”
উল্লেখ্য, বিজয়ের দল ‘টিভিকে’এবারের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ৯৩টি আসনে জয় পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে। পরে কংগ্রেস, বাম দল, ভিসি সহ অন্যান্য দলের সমর্থনে সরকার গঠন করে বিজয়।
