ভারতের স্বস্তি! ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা

জিম্বাবোয়েকে উড়িয়ে দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ বার ক্যারিবিয়ানদের নামিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতে আশার আলো বাড়ল টিম ইন্ডিয়ার। টি২০ বিশ্বকাপে এ বারের একমাত্র অপরাজেয় দল এখন প্রোটিয়ারাই। ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে দিয়ে প্রায় নিশ্চিতও করে ফেলল সেমিফাইনাল।
১৭৭ রানের লক্ষ্যটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিংই ছিল। কিন্তু ফর্মে থাকা প্রোটিয়া ব্যাটারদের কাছে তা যেন জলভাত। ২৩ বল হাতে থাকতেই ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই ওপেনার মার্করাম ও ডি ককের ৪৮ বলে ৯৫ রানের জুটিই অনেকটা কাজ সেরে ফেলে। ৪৭ রানে ডি কক ফিরলে তিনে নামা রিকেলটন করেছেন ৪৫ রান। তাতেই মার্করামকে নিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। অন্যদিকে ৪৬ রানে ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক মার্করাম।৭ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো মার্করামের ইনিংসটাই ম্যাচের সেরা।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১১ ওভারে ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে কেঁপে উঠেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হয়তো একশো রানের গণ্ডিও টপকানো হত না, যদি না দুই অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ড রেকর্ড রানের জুটি গড়তেন। দক্ষিণ আফ্রিকা বিরুদ্ধে অষ্টম উইকেটে ৫৭ বলে গড়েছেন ৮৯ রানের জুটি। জুটিতে ২১ বলে ৩৯ রান করেছেন হোল্ডার। আর ৩৬ বলে ৪৮ রান করেছেন শেফার্ড। টি-টোয়েন্টিতে অষ্টম উইকেটে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৮০ রান। ২০১৫ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে যা করেছিলেন স্কটল্যান্ডের প্রেস্টন মমসেন ও সাফিয়ান শারিফ। আর এই উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ রান ছিল ৬৭। আবার টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপে অষ্টম উইকেটে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৭০। ২০২২ সালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপক্ষে জুটি গড়েন নামিবিয়ার ডেভিড ভিসা ও রুবেন ট্রাম্পেলমান। সব রেকর্ডই এদিন ভেঙে দিলেন শেফার্ড ও হোল্ডার। শেষপর্যন্ত ৩১ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৪৯ রান করেন হোল্ডার। আর ৩৭ বলে তিনটি চার ও চারটি ছক্কায় ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন শেফার্ড।তাতে অবশ্য শেষপর্যন্ত ম্যাচ বাঁচল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সুপার এইটে দু’ম্যাচ জিতে অনেকটাই নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ রইল ২ পয়েন্টেই।
