জয়ের হ্যাটট্রিক অধরা ধোনিহীন সিএসকের, অভিষেক- ক্লাসেনের ঝড়ে দাপট হায়দরাবাদের

0



হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম জুড়ে ছিল হলুদ ফুলের মেলা। একজনের জন্যই যেন গ্যালারি ভরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভক্তদের হতাশা কাটল না। মাঠে দেখা গেল না ধোনিকে। চেন্নাইয়ের জয়ও শেষপর্যন্ত দেখা গেল না।  সূর্যোদয় হল সানরাইজার্সের।


টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়। কিন্তু শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওপেনিং জুটিতে অভিষেক শর্মা ও ট্র্যাভিস হেড পাওয়ার প্লেতেই তাণ্ডব চালান। মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান করে অভিষেক গড়ে ফেলেন নজির, দলকে উড়িয়ে নিয়ে যান ৭৫ রানে। যদিও পাওয়ার প্লের শেষদিকে পরপর দুই উইকেট তুলে কিছুটা ম্যাচে ফেরে চেন্নাই। অভিষেক ৫৯ রানে ফেরার পর মাঝের ওভারে ধাক্কা খেলেও হেনরিখ ক্লাসেন ইনিংস সামলে দেন। ৩২ বলে অর্ধশতরান করে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন তিনি। শেষদিকে ব্যাটিং ধস নামায় দু’শো পার করতে পারেনি হায়দরাবাদ, ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১৯৪ রান।


জবাবে শুরুতে ধাক্কাই খায় চেন্নাই। দ্রুত উইকেট হারালেও তরুণ আয়ুষ মাত্রে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন। কিন্তু ১৩ বলে ৩০ রান করে তাঁর বিদায়ের পর আবার চাপে পড়ে যায় হলুদ ব্রিগেড। ম্যাট শর্ট, সরফরাজ খানরা শুরু করেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। রান তাড়া করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় গতি ধরে রাখতে পারেনি কেউই। মাঝের ওভারগুলোয় ঈশান মালিঙ্গা ও নীতীশ কুমার রেড্ডির নিয়ন্ত্রিত বোলিং চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি আটকে দেয়। শেষদিকে লড়াই থাকলেও লক্ষ্য ছোঁয়া সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৪ রানেই থামে চেন্নাই ইনিংস।


১০ রানের এই জয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। অন্যদিকে, জয়ের হ্যাটট্রিকের আশা ভেঙে গেল চেন্নাইয়ের। আর ম্যাচ শেষে প্রশ্নটা থেকেই গেল, এই কঠিন পরিস্থিতিতে ধোনির অভাব কি আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল না?

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *