‘বিজয় ও রশ্মিকার  বিয়ে শুধুমাত্র দুই তারকার বিয়ে নয়’, প্রকাশ্যে নবদম্পতির বিয়ের নতুন গল্প

0

গতমাসে উদয়পুরের একটি রিসর্টে ধুমধাম করে বিয়ে সারেন দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। ২৬ ফেব্রুয়ারির এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাদের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব। বিয়ের পরপরই নিজেদের বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এই জুটি , যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়।

সম্প্রতি এই বিয়েকে ঘিরেই আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন তাঁদের ওয়েডিং প্ল্যানার সহ আরভিয়ার ইভেন্ট ও ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা প্রিয়া মাগান্তি। তিনি জানিয়েছেন – ” সব বিয়ে থেকে তৃপ্তি নিয়ে ফেরা যায় না,তবে এইক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এখানে দুই তারকার বিয়ের আয়োজনের চেয়ে বরং দুই গভীরভাবে প্রেমে থাকা মানুষের মিলন ঘটানোর অনুভূতি বেশি ছিল। এই জুটি অত্যন্ত সৃজনশীল , নিজেদের বিয়ে নিয়ে তাদের পরিষ্কার ধারণা ছিল। বিয়ের প্রতিটি দিক যেমন পোশাক , সাজসজ্জা , গয়না সব ক্ষেত্রেই ছিল তাঁদের নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন।”

প্রিয়া আরও জানান, এই জুটির আন্তরিকতা এবং উষ্ণ ব্যবহার তাঁকে মুগ্ধ করেছে। তাঁর মতে, রাশ্মিকা ও বিজয় শুধু বাইরে থেকে নয়, অন্তর  থেকেও অত্যন্ত সুন্দর মানুষ। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদয়গ্রাহী। বিশেষ করে বিজয়ের মা এবং রাশ্মিকার পরিবারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই বিয়েকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।  তাঁদের পরিবারের ভালবাসা ও আন্তরিকতায়  পুরো অনুষ্ঠানটি আরও বিশেষ হয়ে ওঠে।

বিজয় ও রশ্মিকার বিয়ের অন্যতম বিশেষ দিক ছিল দুই ভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধন। বিজয়ের তেলুগু রীতি এবং রাশ্মিকার কোডাভা (কুর্গি) ঐতিহ্য মিলিয়ে তৈরি হয় এক অনন্য আয়োজন। পরবর্তীতে ৪ মার্চ হায়দরাবাদে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য একটি বড় রিসেপশনেরও আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে বলিউড থেকে দক্ষিণী প্রচুর তারকারা উপস্থিত হন।

উল্লেখ্য, ‘গীত গোবিন্দম’ (২০১৮) এবং ‘ডিয়ার কমরেড’ (২০১৯) ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন এই জুটি। দীর্ঘদিন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা চললেও, এত দিন আড়ালেই রেখেছিলেন নিজেদের সম্পর্ককে। অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে চমকে দিয়েছেন তাঁদের অনুরাগীদের।
সব মিলিয়ে, দুই তারকার এই বিয়ে শুধু জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি,পারিবারিক বন্ধনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠছে। যা দীর্ঘদিন স্মৃতিতে থেকে যাওয়ার মতো এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *