‘রাজ’ শেষ রাজনীতিতে! হারতেই রাজনৈতিক অধ্যায়ে ইতি রাজ চক্রবর্তীর

0


বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনীতির ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানালেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। ২০২১ সালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে টানা পাঁচ বছর বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। এই সময় রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের প্রচারেও সক্রিয় ছিলেন রাজ, এমনকী ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-নামক তথ্যচিত্রের পরিচালনাও করেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই রাজনৈতিক অধ্যায়ে ইতি টানার কথা বললেন পরিচালক। ভোটের সময় ব্যারাকপুরে তাঁর রোড শো ঘিরে ছিল ব্যাপক উন্মাদনা, কিন্তু ফল ঘোষণার দিন গণনাকেন্দ্র থেকে বেরোনোর সময় ওঠে ‘চোর চোর’ স্লোগান। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে কাদা ও ঘুঁটেও ছোড়া হয়।এই আবহেই বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ নিজের রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানার কথা প্রকাশ্যে আনেন।



সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট করে তিনি লেখেন,”জীবনে যখনই কোনো দায়িত্ব পেয়েছি, নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে পালন করেছি। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দেবার। একজন পরিচালক হিসেবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সব সময় আনন্দ দেবার চেষ্টা করেছি। কখনও জিতেছি, কখনও হেরেছি।”তিনি আরও লেখেন,” ”২০২১-এ আমার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ। মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে সেভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গেছি। সে অধ্যায় শেষ হলো ২০২৬-এ। সঙ্গে শেষ হল আমার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।”

উল্লেখ্য,ক্যামেরার পিছনেই নয়,পরে রাজনীতির ময়দানেও যোগ দিয়েছিলেন পরিচালক।ব্যারাকপুরের বিধায়ক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ছিলেন তিনি।বিরোধী দলে ছিলেন বিজেপির কৌস্তভ বাগচী।নিজেকে শুধুই ‘তারকা প্রার্থী’ হিসেবে তুলে ধরতে চাননি, বরং একজন কাজ করা বিধায়ক হিসেবেই মানুষের সামনে পৌঁছতে চেয়েছিলেন। প্রচারেও সেই ছাপ ছিল স্পষ্ট।কিন্তু ভোটের ফল প্রকাশ হতেই বদলে যায় সমস্ত সমীকরণ। বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর কাছে পরাজিত হন রাজ চক্রবর্তী।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed