মেরিনোর জাদুতে শেষ চারে স্পেন, ১৬ বছর পর সেমিফাইনালে লা রোহা, শেষ চারে মুখোমুখি ফ্রান্সের

0



২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সেই সোনালি স্মৃতি যেন আবার ফিরে আসছে। টানা দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচে বদলি নেমে জয়সূচক গোল করলেন মিকেল মেরিনো। তাঁর শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন। এবার শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স।


লস অ্যাঞ্জেলেসে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল স্পেনের। লামিনে ইয়ামাল, দানি ওলমো, ফাবিয়ান রুইস ও মিকেল ওইয়ারসাবালের পাসের খেলায় চাপে পড়ে বেলজিয়াম। ৩০ মিনিটে ইয়ামালের সঙ্গে দুর্দান্ত বোঝাপড়ার পর পেদ্রো পোরোর ক্রস থেকে প্রথম শট কোর্তোয়া ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইস। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে সমতা ফেরায় বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনের আক্রমণ থেকে তিমোতি কাস্তানের ক্রসে হেডে গোল করেন চার্লস ডি কেটেলায়েরে। এই গোলের মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপে স্পেনের টানা ৬৫০ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ডের অবসান ঘটে।
দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল পাচ্ছিল না স্পেন। এরই মধ্যে ৭১ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তাঁর জায়গায় নামেন সেনে লামেন্স।



ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই বাজিমাত করেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ৮৫ মিনিটে বদলি হিসেবে নামানো হয় মিকেল মেরিনোকে। মাঠে নামার মাত্র ১১৫ সেকেন্ডের মধ্যে পাও কুবার্সির শট গোলরক্ষকের হাত ফসকে ফিরলে সেই বল জালে জড়িয়ে দেন মেরিনো। শেষ ষোলোর পর কোয়ার্টার ফাইনালেও বদলি নেমে জয়সূচক গোল করে স্পেনকে সেমিফাইনালে তুললেন তিনি। শেষ দিকে রোমেলু লুকাকুকে সামনে রেখে মরিয়া আক্রমণ চালায় বেলজিয়াম। তবে স্পেনের রক্ষণ আর কোনো সুযোগ দেয়নি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে মেতে ওঠেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা। ১৬ বছর পর আবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা স্পেন এখন ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *