দু’বার এগিয়েও রক্ষা নেই! যুবভারতীতে জয়ের মঞ্চ থেকে হারের অতলে ইস্টবেঙ্গল!
জয়ের মঞ্চ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরতে হল ইস্টবেঙ্গলকে। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে আল-শোর্তার বিরুদ্ধে দু’বার এগিয়ে গিয়েও ২-৩ গোলে হারল লাল-হলুদ। ডেভিডের জোড়া গোল দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু গোলের একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট এবং দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণে পরপর ভুলের খেসারত দিতে হল দলকে। যে ম্যাচে তিন পয়েন্ট পাওয়ার যথেষ্ট সুযোগ ছিল, সেখানেই হার মানতে হল নিজেদের ভুলের কাছে।
প্রথমার্ধে আক্রমণে যথেষ্ট সক্রিয় ছিল ইস্টবেঙ্গল। লালচুংনুঙ্গা ও ড্যানির শট থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হয়। তবে ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ডেভিড। শেষ পর্যন্ত ৩৯ মিনিটে রশিদের বাড়ানো বল থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ফের এগিয়ে দেন তিনি। বিরতির আগে আরও কয়েকটি সুযোগ এলেও গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি লাল-হলুদ। সেই ব্যর্থতাই পরে বড় হয়ে দেখা দেয়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের ছবিটা বদলে যায়। ৫০ মিনিটে হুসেন আল-সায়েদির গোলে সমতা ফেরায় আল-শোর্তা। পরের মিনিটেই কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কিংসলে কুকু। মাত্র দু’মিনিটের ব্যবধানে ২-১ থেকে ২-৩ হয়ে যায় ইস্টবেঙ্গলের পরিস্থিতি। মুহূর্তের এই ধাক্কা সামলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি লাল-হলুদ।
৫৪ মিনিটে ডেভিডের শট আটকে দেন বিপক্ষ গোলকিপার। পরে ড্যানি ও ডেভিডের আক্রমণ থেকেও গোললাইন সেভ করে আল-শোর্তা। ৭৬ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাউমুনি মাঠ ছাড়ায় প্রতিপক্ষকে দশ জনে খেলতে হয়। তবু সেই বাড়তি সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।
দু’বার এগিয়েও হার, ডেভিডের সুযোগ নষ্ট এবং রক্ষণে ভাঙন—সব মিলিয়ে এই ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় শিক্ষা। শুধু গোল করাই নয়, সুযোগ কাজে লাগানো এবং এগিয়ে থাকার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দুর্বলতা কাটাতে না পারলে এমন মূল্যবান সুযোগ ফের হাতছাড়া হতে পারে। ছবি সৌজন্যে ইস্টবেঙ্গল

