জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে অঘোষিত ফাইনালে নামবে টিম ইন্ডিয়া, হতে পারে একাধিক পরিবর্তন

বৃহস্পতিবার ভারতের সামনে জিম্বাবোয়ে। ঘরের মাঠে একপ্রকার অগ্নিপরীক্ষা সূর্যকুমারদের। সেমিফাইনালের স্বপ্ন বজায় রাখতে জিততেই হবে, তবে যে কোনও মূল্যে জিতলেই হবে না, একেবারে অঙ্ক কষে জেতার লক্ষ্য রাখতে হবে ভারতকে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেতে নামবে টিম ইন্ডিয়া। তার আগে আবার খেলা আছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তা হয়ে যাবে দুপুরে। নজর থাকবে সেদিকেও। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে ভারতের রাস্তা অনেকটা মসৃণ হবে। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতলে ভারতের অঙ্ক আরও কঠিন হবে। তবে ভারতকে আগে জিততেই হবে ২ ম্যাচ।
সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করতে টিম ইন্ডিয়াকে নেট রান রেট বাড়াতেই হবে। সেক্ষেত্রে বড় রানে জয় কিংবা কম ওভারে রান তাড়া করে জয় পেতেই হবে সূর্যদের। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারত যদি প্রথমে ব্যাট করে, সেক্ষেত্রে বড় রানের টার্গেট দিতে হবে এবং ম্যাচটি ১০০ বা তার বেশি রানের ব্যবধানে জিততে হবে। আর যদি ভারত রান তাড়া করে তাহলে, উদাহরণস্বরূপ ১৪১ রানের টার্গেট ভারতকে ১০ ওভারের মধ্যেই করে ফেলতে হবে। সেই টার্গেট ১৮১ রানের হলে, তা করতে হবে ১৩ ওভারের মধ্যেই।
এদিকে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলে প্রথম একাদশে বড়সড় বদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক। তিনি বলেন, ‘টানা তিন ম্যাচে শুরুতেই উইকেট হারালে সেটা নিয়ে ভাবতেই হয়। আমরা আলোচনা করেছি। অফস্পিনারদের বিরুদ্ধে চাপ সামলাতে টপ অর্ডারে বদল আসতে পারে।’ সঞ্জু স্যামসন দলে এলে ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশন তৈরি করতে পারে ভারত। কারণ, ব্যাটিং অর্ডারের শুরুতেই তিন বাঁহাতি ব্যাটার। ঈশান কিষাণ, অভিষেক শর্মা এবং তিলক বর্মা, যা অফস্পিনারদের জন্য কাজটা অনেকটাই সহজ হচ্ছে। তবে কাকে বাদ দেওয়া হবে তা খোলসা করেননি। অভিষেক শর্মা গত চার ম্যাচে মাত্র ১৫ রান করেছেন, তাঁর ওপর কোপ পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। তিলক বর্মাও দ্রুত গতিতে রান তুলতে পারেননি, যা ভাবাচ্ছে। কোটাক বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ জিততে গেলে চাপ নিতেই হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার চাপ মারাত্মক থাকেই। আমরা কলম্বোর পিচের মতো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতেও তৈরি’।
