‘দেশসেবার দীর্ঘযাত্রায় আপনার অফুরন্ত শক্তি কামনা করি’, মোদীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা বার্তা প্রসেনজিতের
১৭ সেপ্টেম্বর। আজ দেশজুড়ে উচ্ছ্বাস শুধু একজনের নামেই । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬ তম জন্মদিনে সকাল থেকেই শুভেচ্ছার বন্যা সোশ্যাল মিডিয়ায়।দেশের নানা প্রান্তে নানা কর্মসূচির আয়োজন। কোথাও সেবামূলক উদ্যোগ, কোথাও আবার জ্বলে উঠবে লক্ষ লক্ষ প্রদীপ। এমন এক বিশেষ দিনে রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত শুভেচ্ছায় সামিল হয়েছেন বহু বিশিষ্টজন। সেই তালিকায় রয়েছেন বিশিষ্ট অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় হৃদয়ছোঁয়া বার্তা দিলেন বুম্বাদা।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রসেনজিৎ লেখেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজিকে জানাই জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। দেশসেবার এই দীর্ঘ যাত্রায় আপনার সুস্বাস্থ্য, সুখ ও অফুরন্ত শক্তি কামনা করি। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সাফল্য ও পরিতৃপ্তি সঙ্গী হোক,এই প্রার্থনাই রইল।” তবে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের আগেই রাতেই তাঁর সঙ্গে ঘটেছে বিশেষ ঘটনা।কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে নতুন কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র শংসাপত্র বোর্ড বা সিবিএফসি গঠন করা হয়েছে।সেই বোর্ডে বাংলার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।সিনেমাটোগ্রাফ অ্যাক্টের অধীনে মোট ১৮ জন সদস্যকে নিয়ে গঠিত হয়েছে এই নতুন বোর্ড। আগামী তিন বছর দেশের মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলির শংসাপত্র দেওয়ার দায়িত্ব থাকবে এই কমিটির উপর।
উল্লেখ্য,১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জন্ম নরেন্দ্র মোদীর। তবে তাঁর ২৫ বছরের রাজনৈতিক সফরের হিসাব শুরু ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। সেদিনই প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্বে আসেন তিনি। এরপর টানা কয়েক দফায় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর পর ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মোদী। তাঁর জন্মদিনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর আয়োজন করেছে বিজেপি। মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ কর্মসূচি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সেবামূলক কাজের পাশাপাশি জনসংযোগমূলক একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা এবং তাঁর ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তাদের সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে নিজেদের বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশজুড়ে এক প্রতীকী আলোর আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও থাকছে বিশেষ আয়োজন। রাজ্যে গঙ্গার বুকে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পাশাপাশি বিশ্বকর্মা যোজনা প্রকল্প চালুর কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং তাদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
