ইউপিআইয়ে ২ হাজার টাকার লেনদেনের পর নতুন নিয়ম! কার পকেট থেকে কাটবে টাকা?
ইউপিআইয়ে টাকা পাঠানো বা কেনাকাটার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। তবে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বড় কোনও চিন্তার কারণ নেই। একজন ব্যক্তি অন্য একজনকে ইউপিআইয়ে যত টাকাই পাঠান, সেই লেনদেনে কোনও চার্জ দিতে হবে না। দোকানে পণ্য বা পরিষেবা কেনার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না গ্রাহককে। নতুন নিয়মে ২,০০০ টাকার বেশি মূল্যের ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর বসবে। এই চার্জ দিতে হবে ব্যবসায়ীকে, গ্রাহককে নয়। সাধারণ ক্ষেত্রে মাশুলের হার ০.৪ শতাংশ, তবে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৫,০০০ টাকার কেনাকাটা করলে ২০ টাকা এমডিআর হবে, ১০,০০০ টাকায় ৪০ টাকা এবং ৫০,০০০ টাকার লেনদেনে ২০০ টাকা। ৭৫,০০০ টাকা বা তার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকাই মাশুল হিসেবে ধরা হবে।
তবে সব ব্যবসায়ীকে এই টাকা দিতে হবে না। ছোট দোকানদার ও রাস্তার বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে মোট প্রাপ্তি ১ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকলে তাঁদের জন্য শূন্য এমডিআর-এর সুবিধা বজায় থাকবে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবার ক্ষেত্রেও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রেল, টেলিকম, বিমা এবং জ্বালানির মতো ক্ষেত্রে ২,০০০ টাকার বেশি লেনদেনে শতাংশের হিসাবে নয়, নির্দিষ্ট ৫ টাকা এমডিআর নেওয়া হবে। নতুন নিয়ম ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। ফলে সাধারণ মানুষের ইউপিআই ব্যবহারে সরাসরি বাড়তি খরচ না হলেও বড় ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়তে পারে। ইউপিআই অ্যাপ সংস্থাগুলিও নিজেদের মতো করে আলাদা প্ল্যাটফর্ম ফি চাপাতে পারবে না।
