এশিয়াড অভিষেকে মাত্র ০.২ সেকেন্ডে ফাইনাল ফসকাল বেদান্ত! বাবা আর মাধবন হতাশ নন
বাবা বলিউডের পরিচিত অভিনেতা, ছেলে নিজের পরিচয় গড়তে চান সাঁতারের পুলে। এশিয়ান গেমসে সোমবার সেই যাত্রারই প্রথম ধাপ পেরোলেন বেদান্ত মাধবন। আর মাধবনের পুত্র ৪x২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলেতে নেমেছিলেন সাজন প্রকাশ, দক্ষন শশিকুমার ও অনীশ সুনীলের সঙ্গে। ভারতীয় দল ৭ মিনিট ২৪.৩২ সেকেন্ডে শেষ করে নবম হয়। ফাইনালে ওঠা আট দলের তালিকায় ঢুকতে পারেনি মাত্র ০.২ সেকেন্ডের জন্য। ছেলের লড়াইয়ে হতাশ না হয়ে তার চেষ্টাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন আর মাধবন। সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, সামান্য ব্যবধানে ফাইনাল হাতছাড়া হলেও এই অভিজ্ঞতা বেদান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর এশিয়াড অভিযান অবশ্য শেষ হয়নি। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল ও ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে নামার কথা বেদান্তের।
ছেলের সাঁতারের স্বপ্নকে এগিয়ে দিতে করোনা পর্বে আর মাধবন পরিবার নিয়ে দুবাইতেও গিয়েছিলেন। সেই সময় ভারতে অধিকাংশ পুল বন্ধ থাকলেও দুবাইয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ ছিল। এবার এশিয়াডের মঞ্চে বাবার সেই সমর্থনের ফল কতটা দিতে পারেন বেদান্ত, নজর সেদিকেই। সাঁতারে এ দিন ভারতের হয়ে ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকের ফাইনালে উঠেছেন শ্রীহরি নটরাজ। তবে ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলে আকাশ মণি ও গীতেশ শাহ ফাইনালে উঠতে পারেননি। আকাশ ২৩.৪৩ সেকেন্ডে ২৬তম এবং গীতেশ ২৩.৫৭ সেকেন্ডে ২৮তম হন।
অন্য দিকে, শুটিংয়ে প্রথম দু’দিনেই ভারতের ঘরে এসেছে পাঁচ পদক। সোমবার ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের দলগত বিভাগে রুপো পান হিমাংশু ঢিল্লোঁ, রুদ্রাংশ পাটিল ও পার্থ মানে। তাঁদের সম্মিলিত স্কোর ১৮৯০.১। ১৮৯৯ পয়েন্ট নিয়ে সোনা জেতে চিন। ব্যক্তিগত বিভাগেও পদক আসে একই ইভেন্ট থেকে। রুদ্রাংশ ৬৩১.৮ পয়েন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন। হিমাংশুও ফাইনালে উঠেছিলেন। ৬৩০.০ পয়েন্ট নিয়ে তিনি সপ্তম হন। ভারতের অপেক্ষা অবশ্য এখনও সোনার জন্য।
