জিদানের ঢুসো কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি! রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে দেখা গেল বেনজির ঘটনা, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

0

আবার বছর ২০ পর…। ফের ফিরল ঢুসো কাণ্ড। ২০০৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালে মাতেরাজ্জিকে ঢুসো মেরেছিলেন জিদান। সেই নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছিল। ফের খেলার মাঠে ঘটে গেল যেন সেই ঘটনাই। তবে এ বার আর ফুটবল নয়, ক্রিকেটে। তাও ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে।বুধবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে অনাকাঙ্খিত সেই ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি ঘটল। ম্যাচ চলাকালীন কর্নাটকের ফিল্ডার কেভি অনীশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান জম্মু কাশ্মীরের অধিনায়ক পরশ ডোগরা। তেড়ে যান অনীশের দিকে। এরপরে মেজাজ হারিয়ে হেলমেট পড়া অবস্থাতেই মাথা দিয়ে ঢুসো মারেন অনীশকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসেন সতীর্থরা। ঘটনার ভিডিয়ো মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
হুবলিতে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে কর্নাটক ও জম্মু ও কাশ্মীর। প্রথমবারের জন্য রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল খেলছে জম্মু ও কাশ্মীর। দ্বিতীয় দিনেই তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হল ম্যাচ ঘিরে। জম্মু ও কাশ্মীরের ইনিংসের ১০১তম ওভারের ঘটনা। অধিনায়ক পরশের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন কানহাইয়া ওয়াধাওয়ান। বোলিং করছিলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা।তাঁর একটা বল ব্যাটের কানায় লেগে বাউন্ডারিতে চলে যায়।তার পরেই মেজাজ হারিয়ে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়ানো কেভি অনীশের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতে থাকেন জম্মু ও কাশ্মীরের অধিনায়ক। সেই বাকবিতণ্ডা বাড়তেই থাকে।  এরপর আচমকাই অনীশকে হেলমেট পরে থাকা অবস্থাতেই ঢুসো মেরে আঘাত করেন পরশ। দ্রুত পরিস্থিতি সামল দেওয়ার চেষ্টা করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল, কেএল রাহুলরা। ছুটে আসেন দুই ফিল্ড আম্পায়ার ও অন্যান্য সতীর্থরাও। ওভারের শেষে অবশ্য ক্ষমা চেয়ে নেন জম্মু-কাশ্মীর অধিনায়ক। কিন্তু কর্ণাটকের ফিল্ডার অনীশ যেন কিছুতেই এই ঘটনা মেনে নিতে পারেননি। ফের মাঠে একাধিকবার বিতর্ক ও মাথাগরম দেখা যায় ক্রিকেটারদের।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের কিংবদন্তি মিডফিল্ডার ফাইনাল ম্যাচের এক্সট্রা-টাইমে মাতেরাজ্জির সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন, এবং মাতেরাজ্জি তাঁকে এমন কিছু বলেন যার ফলে জিদান সটান মাতেরাজ্জির বুকে মাথা দিয়ে প্রবল একখানা ঢুসো মারেন।জীবনের শেষ ম্যাচে লাল কার্ডের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে মাঠ ছাড়েন জিদান। বিসিসিআইও অবশ্য ডোগরাকে ছাড় দেয়নি। তাঁর ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *