ডার্বির আগে বদলে গেল যুবভারতীর মুখ, ‘বিশ্ববাংলা’র ‘ব’ এর জায়গায় অশোকস্তম্ভ
রবিবারের আইএসএল মহাডার্বির আগে শুধু ফুটবল উত্তেজনাই নয়, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের ছাপও স্পষ্ট হয়ে উঠল যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। বহুদিনের পরিচিত ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো সরিয়ে তার জায়গায় বসানো হল জাতীয় প্রতীক অশোকস্তম্ভ। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচের আগে যুবভারতীর এই নতুন মুখসজ্জা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ওয়েবসাইট, স্কুল ইউনিফর্ম ও সরকারি নথি থেকে ধীরে ধীরে সরানো হচ্ছে ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো।এ বার সেই পরিবর্তনের ছোঁয়া পৌঁছল বাংলার ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ যুবভারতীতেও। স্টেডিয়ামের সামনের অংশে বসানো হয়েছে অশোকস্তম্ভ। সূত্রের খবর, অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের সময় তৈরি হওয়া স্টেডিয়ামের সামনের বিশাল স্ট্যাচুতেও পরিবর্তন আনা হতে পারে।
এই প্রসঙ্গে এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিজেপি পার্টি আলাদা, আর সরকার আলাদা। সরকারি জায়গায় সরকারি প্রতীকই থাকবে। তাই অশোকস্তম্ভ বসানো হয়েছে।’ একইসঙ্গে তিনি জানান, আসন্ন ডার্বির জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক দু’জনকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও বড় মন্তব্য করেছেন কল্যাণ চৌবে। তাঁর মতে, ‘এতদিনের আইএসএলে এ বারের ডার্বিই আসল টার্নিং পয়েন্ট। মোটামুটি বলা যায়, যে দল ডার্বি জিতবে, ট্রফি জেতার সম্ভাবনাও তাদেরই বেশি।’ ফলে সমর্থকদের কাছে এই ম্যাচ কার্যত অঘোষিত ফাইনাল হয়ে উঠেছে। মরসুমের সবচেয়ে বড় ম্যাচ ঘিরে এরমধ্যেই টিকিট প্রায় শেষ। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এখন শুধু ডার্বির আলোচনা। আর সেই আবহেই যুবভারতীর গায়ে লেগে গেল নতুন রাজনৈতিক সময়ের ছাপ। ফুটবলের আবেগের সঙ্গে তাই এ বার মিশে গেল পালাবদলের প্রতীকও।
