নতুন স্বপ্ন পূরণের হাতছানিতে ফিরছে ‘লাখ টাকা র লক্ষ্মী লাভ’,সঞ্চালকের আসনে পায়েল দে
স্বপ্ন দেখার অধিকার সবারই আছে। তবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগ সবার জীবনে আসে না।সেই স্বপ্নপূরণের গল্পই গত দুবছর ধরে তুলে ধরেছে সান বাংলার জনপ্রিয় গেম শো ‘লাখ টাকা র লক্ষ্মী লাভ’। অসংখ্য নারীর সংগ্রাম,আত্মত্যাগ,চোখের জল আর সাফল্যের সাক্ষী থাকা এই অনুষ্ঠান এবার আরও বড় পরিসরে ফিরছে।আগামী ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হচ্ছে ‘লাখ টাকা র লক্ষ্মী লাভ’-এর তৃতীয় সিজন। আর এবারের সবচেয়ে বড় চমক, অনুষ্ঠানের নতুন সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল দে-কে।প্রথম দুই সিজনে এই দায়িত্ব সামলেছিলেন অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী।
২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান ধীরে ধীরে শুধুমাত্র একটি গেম শো নয়, বরং বাংলার অসংখ্য নারীর আত্মবিশ্বাস ও স্বপ্নপূরণের মঞ্চে পরিণত হয়েছে। সংসারের দায়িত্ব সামলেও নিজের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখা, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে এগিয়ে চলা কিংবা পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয়,প্রতিটি পর্বে উঠে এসেছে এমনই অনুপ্রেরণামূলক গল্প। দর্শকদের বিপুল ভালোবাসার জেরেই এবার শোয়ের ফরম্যাটেও এসেছে একাধিক পরিবর্তন।প্রতিদিন ৯০ মিনিটের অনুষ্ঠানে এবার অংশ নেবেন চারজন প্রতিযোগী।পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে ‘টাকার গদি’, ‘টাকার খনি’ এবং ‘বল ফেলতে টাকা কুড়ো’-এর মতো নতুন রাউন্ড, যা খেলাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
তবে ব্যস্ততার কারণে এ বার সঞ্চালকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী।এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “লাখ টাকা র লক্ষ্মী লাভ-এর মতো একটি অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।প্রতিযোগীদের আনন্দ, দুঃখ,সাফল্য এবং সংগ্রামের মুহূর্ত খুব কাছ থেকে দেখেছি।এই অনুষ্ঠান আমাকে একজন মানুষ হিসেবেও অনেক বদলে দিয়েছে।কাজের ব্যস্ততার জন্য এবার বিরতি নিচ্ছি, তবে পায়েল, গোটা টেকনিশিয়ান টিম এবং সান বাংলার সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।”
নতুন এই দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বসিত পায়েল দে।তিনি বলেন, “সান বাংলায় ফিরে আসাটা আমার কাছে একরকম ঘরে ফেরা।লাখ টাকার লক্ষ্মী লাভের সঞ্চালক হিসেবে যাত্রা শুরু করতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।এটাই আমার প্রথম রিয়্যালিটি শো সঞ্চালনার অভিজ্ঞতা।প্রতিযোগীদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর জীবনের গল্প শুনতে শুনতে বুঝতে পারি, আমাদের নিজেদের সমস্যাগুলো কত ছোট।এই অসাধারণ নারীদের যাত্রার অংশ হতে পারাটা আমার কাছে সত্যিই গর্বের।”
