কান্তিরাভায় বেঙ্গালুরু-মোহনবাগান ড্র, উজ্জ্বল হল না পেত্রাতোসের শততম ম্যাচ

0

টানা চার ম্যাচ জয়ের পর আত্মবিশ্বাস নিয়েই বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল মোহনবাগান। লক্ষ্য ছিল ‘পাঁচে পাঁচ’। কিন্তু একের পর এক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করেই সন্তুষ্ট থাকতে হল সের্জিও লোবেরার দলকে। ফলে বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে হল সবুজ মেরুন শিবিরকে।


শনিবার কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ছিল জমজমাট পরিবেশ। ঘরের মাঠে সুনীল ছেত্রীদের সমর্থনে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। তবে কলকাতা থেকে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার দূরেও প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে প্রচুর মোহনবাগান সমর্থক হাজির ছিলেন। দিনটা ছিল দিমিত্রি পেত্রাতোসের জন্যও বিশেষ, সবুজ-মেরুন জার্সিতে এটা ছিল তাঁর শততম ম্যাচ। সেই উপলক্ষে গ্যালারিতে বিশেষ টিফোও নামান সমর্থকেরা। অন্যদিকে, মহিলাদের সম্মান জানাতে বিশেষ গোলাপি জার্সিতে মাঠে নামে বেঙ্গালউরু এফসি। ম্যাচ শুরুর আগে ফুটবলারদের সঙ্গে তাঁদের মা ও স্ত্রীরাও মাঠে প্রবেশ করেন, যা দর্শকদের অভিনন্দন জানান।


ম্যাচের কৌশল সাজাতে গিয়ে বেঙ্গালুরুর উইং প্লে নিয়েই বেশি সতর্ক ছিলেন মোহনবাগান কোচ। আশিক কুরুনিয়ান ও রায়ান উইলিয়ামসকে আটকাতে রক্ষণভাগে টম অলড্রেড ও আলবার্তো রডরিগেজকে প্রথম একাদশে রাখা হয়। সেই পরিকল্পনায় বিপক্ষের আক্রমণ অনেকটাই আটকে দেওয়া গেলেও, নিজেরা গোলমুখ খুলতে পারল না সবুজ মেরুন।


ম্যাচে দুই দলই সুযোগ তৈরি করেছিল। আলবার্তো রডরিগেজ কয়েকবার ভাল জায়গায় পৌঁছেও গোল করতে পারেননি। লিস্টন কোলাসোর আক্রমণও শেষ পর্যন্ত ফল দেয়নি। ৭০ মিনিটে নিশ্চিত গোল লাইন সেভ হয়ে যায়। এরপর ৮৩ মিনিটে গোলরক্ষক গুরপ্রীতকে একা পেয়েও ‘ওয়ান-টু-ওয়ান’ পরিস্থিতিতে গোল করতে ব্যর্থ হন পেত্রাতোস। ম্যাচের রং বদলাতে পরিবর্ত হিসেবে জেসন কামিংসকে নামানো হলেও তাতেও লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত একাধিক সহজ সুযোগ নষ্টের মাশুল দিয়েই গোলশূন্য ড্র মেনে নিতে হয় মোহনবাগানকে। তবে শক্তিশালী স্কোয়াড ও ধারালো আক্রমণভাগ নিয়ে লোবেরার দল যে কোনও মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়াতে পারে-এই বিশ্বাস কিন্তু এখনও অটুট সবুজ মেরুন শিবিরে।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *