আইপিএলে উদ্বোধনী ম্যাচেই বিরাটের অনন্য নজির! চ্যাম্পিয়নের মতোই শুরু আরসিবি’র

0



নতুন মরসুম, কিন্তু পুরনো ছন্দেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আর সেই ছন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে আবারও বিরাট কোহলি। আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই ব্যাট হাতে রেকর্ড গড়ে দলকে জয়ের পথ দেখালেন তিনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ২০১ রানের পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্যও যেন তাঁর কাছে হয়ে উঠল সাধারণ। ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কোহলি। তাঁর ইনিংসেই ২৬ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে এটা কোহলির ৬৪তম অর্ধশতরান।


তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এদিন ব্যক্তিগত মাইলফলকও ছুঁয়ে ফেললেন কোহলি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান করা এশীয় ব্যাটার হিসেবে ভেঙে দিলেন শোয়েব মালিকের  দীর্ঘদিনের রেকর্ড। মালিক যেখানে ৫৫৭ ম্যাচে ১৩,৫৭১ রান করেছিলেন, সেখানে কোহলি মাত্র ৪১৫ ম্যাচেই সেই গণ্ডি পেরিয়ে গেলেন। কম ম্যাচে এই সাফল্য তাঁর ধারাবাহিকতা ও দক্ষতারই প্রমাণ।


ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল আরসিবি। যদিও ফিল সল্ট দ্রুত ফিরে যান, কিন্তু ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার দেবদত্ত পাল্লিকার ২৬ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চাপ কমান। মাঝের দিকে পরপর দুই উইকেট হারালেও কোহলি ক্রিজে থাকায় আত্মবিশ্বাস হারায়নি বেঙ্গালুরু।


এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ তোলে ২০১ রান। অধিনায়ক ঈশান কিষান ৩৮ বলে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। তাঁর সঙ্গে হেনরিক ক্লাসেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি দলকে লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যায়। শেষ দিকে অনিকেত ভার্মার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২০০ পার করে অরেঞ্জ ব্রিগেড।
বেঙ্গালুরুর হয়ে বল হাতে নজর কাড়েন জ্যাকব ডাফি ও রোমারিও শেফার্ড। দু’জনেই তিনটি করে উইকেট তুলে নেন।
তবে দিনের শেষে আলোটা একাই কেড়ে নিলেন কোহলি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তাঁর ব্যাট যে এখনও সমান ধারালো—আইপিএলের মঞ্চেই তার প্রমাণ দিলেন ‘কিং  কোহলি’।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *